তীব্র গরমে নাকাল পুরো দেশ। তাপমাত্রা ৪০ কিংবা তার কাছাকাছিই থাকছে বেশিরভাগ সময়। এই গরমে চিকিৎসকরা বার বার সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন। প্রচুর পানি পান, প্রয়োজন না হলে বাইরে বের না হওয়ার পাশাপাশি পোশাকের দিকেও বাড়তি নজর দিতে বলছেন তারা।
একেতো গরমের উত্তাপ, তার ওপর নেই বৃষ্টির দেখা। ঘাম যেন শুকাতেই চায় না। পোশাক ঘামে ভিজলে যেমন অস্বস্তি হয়, তেমনই শরীরে ঘাম বসে গেলে ঠান্ডা লাগার আশঙ্কা থাকে। তাই, এই গরমে সুস্থ থাকতে পোশাক পরিধানের সময় কিছু দিক খেয়াল করা উচিত। চলুন জেনে নিই বিস্তারিত-

হালকা রঙের পোশাক
যাদের খুব বেশি ঘামার প্রবণতা থাকে, প্রায়ই তাদের জামা ঘামে ভিজে ওঠে। বগল, পিঠ, বুকে এ রকম ঘামে ভেজা ছাপ খুবই অস্বস্তিকর। যেসব রঙের পোশাকে ঘামের দাগ স্পষ্ট হয়ে ওঠে সেসব রং এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। সাদা, ধূসর বা আকাশির মতো হালকা রঙের পোশাকে ঘামের দাগ স্পষ্ট হয় না। পরেও আরাম লাগে। গাঢ় রঙের পোশাকে ঘামের দাগ প্রকট হয়ে ওঠে। এমন পোশাক এড়িয়ে চলুন।

পোশাকের ডিজাইন
এক রঙের পোশাকের চেয়ে কোনো প্রিন্ট বা প্যাটার্ন থাকলে ঘামের দাগ ঢাকতে সুবিধা হয়। এক রঙের পোশাকে ঘামের দাগ যতটা প্রকট হয়ে ওঠে; চেক, স্ট্রাইপ বা কোনও প্রিন্ট থাকলে ততটা স্পষ্ট ভাবে বোঝা যায় না।

ইনার পরা জরুরি
অনেকেই গরমকালে পোশাকের ভেতরে ইনার পরেন না। এতে কিন্তু গরম বেশি লাগে। পুরুষ-মহিলা উভয়েই অবশ্যই পোশাকের ভেতরে সুতির ইনার পরুন। পোশাকের স্তর থাকলে এয়ার পকেট তৈরি হয়। এতে ঘাম কম হয়। ঘামে ভিজে পোশাক নষ্টও হয় কম।

স্পোর্টস টি-শার্ট
গরমে অনেকেই স্পোর্টস টি-শার্ট পরেন। এসব টি-শার্টে এমন ফ্যাব্রিক ব্যবহার করা হয়, যা খুব সহজে ঘাম ত্বকের উপরিভাগে নিয়ে আসে। ফলে ঘাম আর শরীরে বসে না। গরমে এই ধরনের পোশাক পরতে পারেন। আরাম পাবেন।

জুতার দিকেও নজর দিতে হবে
গরমে কেবল বগল থেকেই ঘাম হয় না। হাত, পা-ও ঘামে। এমন জুতা পরবেন না যাতে পা ঘামে। রোদে ট্যান হওয়ার ভয়ে অনেকেই এই সময় পা ঢাকা জুতো পরেন। এমনটা করবেন না। এমন জুতা পরুন যেন পায়ে হাওয়া লাগে। পা বন্ধ থাকলে গরমও বেশি লাগবে। একান্তই যদি মোজা পরতে হয়, তবে সুতির মোজা পরুন। নাইলনের মোজা এড়িয়ে চলুন।
অন্তর্বাস
অন্তর্বাসের ক্ষেত্রেও সুতির অন্তর্বাস বাছাই করুন। সিন্থেটিক কাপড়ের অন্তর্বাস এড়িয়ে চলুন।
এনএম




