মাস পার হয়ে গেছে, কিন্তু ঋতুস্রাব হয়নি? হয়ত ভাবছেন অন্তঃসত্ত্বা। কিন্তু না, দেরিতে ঋতুস্রাব হওয়া মানেই অন্তঃসত্ত্বা— এমন ধারণা ভুল। এর পেছনে অন্য অনেক শারীরিক সমস্যাও থাকতে পারে। বেশ কিছু স্বাস্থ্য জটিলতা রয়েছে যেসবের কারণে দেরিতে পিরিয়ড হতে পারে। এগুলো কী? চলুন জেনে নিই-
মানসিক চাপ
বিজ্ঞাপন
বেশিরভাগ নারীর পিরিয়ড পিছিয়ে যাওয়ার পেছনে এই কারণটি দায়ী। কাজের চাপ বা সংসারের নানা ঝঞ্ঝাটে মন যদি অস্থির থাকে, তবে তার প্রভাব পড়ে শরীরেও। মানসিক চাপের কারণে অনিদ্রা সমস্যাও দেখা দেয়। ফলে পিরিয়ড পেছাতে পারে।
পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম
হরমোনের মাত্রা ওঠানামায় এই সমস্যা হতে পারে। মুখে অত্যাধিক লোম গজানো এবং হঠাৎ ওজন বাড়া পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোমের পরিচিত উপসর্গ। এই রোগের কারণেও অনেকসময় পিরিয়ড দেরিতে হয়।
বিজ্ঞাপন
থাইরয়েডের সমস্যা
থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে শরীরে নানা ধরনের অসুবিধা দেখা দিতে পারে। এর মধ্যে পিরিয়ড পিছিয়ে যাওয়াও অন্যতম। থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে বের হওয়া হরমোনের ওঠানামার জেরে হাইপারথাইরয়েডিজম বা হাইপোথাইরয়েডিজম হতে পারে।
অতিরিক্ত ব্যায়াম
সুস্থ থাকতে ব্যায়াম জরুরি। তবে তা হতে হবে পরিমিত। প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ব্যায়াম করলে ইস্ট্রোজেনের মাত্রা কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এটি পিরিয়ডে প্রভাব ফেলে।
স্থূলতা
মাত্রাতিরিক্ত ওজন অনিয়মিত পিরিয়ডের কারণ হয়ে উঠতে পারে। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। কেবল অনিয়মিত ঋতুস্রাবই নয়, স্থূলতা আরও অন্যান্য শারীরিক সমস্যার জন্ম দিতে পারে। তাই সামগ্রিকভাবে সুস্থ থাকতে ওজন কমানো উচিত।
এনএম