শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

ইলেকট্রিক চুলা কেনার আগে যেসব বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০২:১৭ পিএম

শেয়ার করুন:

ইলেকট্রিক চুলা কেনার আগে যেসব বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি
ইলেকট্রিক্যাল চুলা কেনার গাইড

গ্যাস সংকট ও সিলিন্ডারের বাড়তি খরচে অতিষ্ট হয়ে পড়েছে শহুরে জীবন। খরচ কমাতে অনেকেই ঝুঁকছেন ইলেকট্রিক চুলার দিকে। আধুনিক ও সাশ্রয়ী  হওয়ায় বাজারে এই চুলার চাহিদা বেড়েই চলেছে। তবে বাজারের অসংখ্য ব্র্যান্ডের ভিড়ে অনেকেই নিজের জন্য সঠিক চুলাটি নির্বাচন করতে পারছেন না। তাদের জন্যই আজকের এই প্রতিবেদন। সঠিক ও নিরাপদ ইলেকট্রিক চুলা বেছে নিতে এই বিষয়গুলো খেয়াল রাখা জরুরি-

Picture

ইনডাকশন কিনবেন নাকি ইনফ্রারেড?

বাজারে দুই প্রযুক্তির ইলেকট্রিক চুলা পাওয়া যাচ্ছে—ইনডাকশন এবং ইনফ্রারেড (বা ইকো-স্মার্ট)। উদ্দেশ যদি কম সময়ে দ্রুত রান্না হয়, তবে আপনার জন্য চুলা। এটি স্পর্শ করলে হাতও পুড়বে না। তাই যাদের ঘরে শিশু রয়েছে তাদের জন্য এই চুলাটি হতে পারে বেস্ট অপশন।

তবে এই চুলায় শুধু লোহা বা ম্যাগনেটিক স্টিলের নির্দিষ্ট কিছু পাত্র ব্যবহার করতে পারবেন।

আলাদা করে হাড়িপাতিল কেনার ঝক্কি না পোহাতে চাইলে ব্যবহার করতে পারেন ইনফ্রারেড বা টাচ স্ক্রিন চুলা। এই চুলায় অ্যালুমিনিয়াম, মাটির হাঁড়ি, কাচ বা নন-স্টিক যেকোনো ধরনের পাত্র ব্যবহার করে রান্না করা যায়।

Picture

তাই ইলেকট্রিক চুলা কেনার আগে আপনার ঘরে থাকা পাত্রের ধরন বিবেচনায় রাখা জরুতি। নয়তো চুলার সঙ্গে হাড়ি-পাতিল কেনার জন্য বাড়তি খরচ করতে হবে। 

ওয়াটেজ এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়

বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ইলেকট্রিক চুলা রয়েছে। এগুলো সাধারণত ১০০০ থেকে ২২০০ ওয়াটের হয়। তবে দ্রুত রান্নার জন্য ১৮০০ থেকে ২০০০ ওয়াটের চুলাগুলো সেরা। তাই, কত ওয়াটের চুলা কিনবেন সেটি আপনার প্রয়োজনের উপর নির্ভর করে।

আরও পড়ুন: ইনডাকশন ও ইনফ্রারেড চুলার মধ্যে পার্থক্য জানুন

ইলেকট্রিক চুলা কেনার আগে দেখে নিন এত কতটি পাওয়ার লেভেল অ্যাডজাস্টমেন্ট বা ‘এনার্জি সেভিং’ ফিচার রয়েছে। এই ফিচারগুলো ব্যবহার করে রান্না করলে বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয় করা সহজ হয়।

সেফটি ফিচার

Picture

যেকোনো ডিভাইস ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়টি সবার আগে বিবেচনায় রাখা জরুরি। চুলা কেনার সময় তাতে ‘অটো শাট-অফ’ সুবিধা আছে কি-না দেখে নিন। কেননা, চুলা থেকে পাত্র নামিয়ে নেওয়ার পর বা রান্নার সময় চুলা অতিরিক্ত গরম হলে সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হওয়া জরুরি। 

এছাড়া যে পরিবারে শিশু রয়েছে তাদের জন্য বাজারে ‘চাইল্ড লক’ ফিচারযুক্ত মডেলও রয়েছে।

আরও পড়ুন: ইলেকট্রিক চুলায় বিদ্যুৎ খরচ কেমন?

কুকিং মোড ও গ্লাস প্যানেল

আধুনিক এসব ইলেকট্রিক চুলায় ডাল, ভাত, স্যুপ কিংবা ফ্রাই করার জন্য আগে থেকেই ‘প্রি-সেট কুকিং মেনু’ বা মোড দেওয়া থাকে। এই প্রযুক্তি রান্নাকে করে তুলে আরও সহজ।

Picture

চুলার উপরের ক্রিস্টাল গ্লাস প্যানেলটির ভার ধারণ এবং উচ্চ তাপমাত্রা সহ্য করার ক্ষমতা কতটুক তা যাচাই করে নিন।

ওয়ারেন্টি এবং বিক্রয়োত্তর সেবা

অফারের লোভে পড়ে যেকোনো স্থান থেকে কম দামে ইলেকট্রিক চুলা কিনবেন না। নিরাপদে ব্যবহারের জন্য ভালো ব্র্যান্ডের অফিশিয়াল শোরুম থেকে চুলা কেনা উচিত। বাজারে অনেক ব্র্যান্ড ১ থেকে ২ বছরের স্পেয়ার পার্টস ও সার্ভিস ওয়ারেন্টি দিয়ে থাকে। তাই কেনার আগে আপনার এলাকায় পছন্দের ব্র্যান্ডটির কাস্টমার কেয়ার বা বিক্রয়োত্তর সেবা কেমন সে বিষয়ে খোঁজ নিতে ভুলবেন না।

এএ

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর