অক্টোবর মাস এলেই ভ্রমণপিপাসুদের মন চলে যায় দেশের সর্ব উত্তরের উপজেলা তেঁতুলিয়ায়। দার্জিলিংয়ের কার্শিয়াং পাহাড়ের ওপরে পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম পর্বত কাঞ্চনজঙ্ঘার মোহনীয় রূপ দেখার আশায় পর্যটকরা সেখানে ছুটে যান। পঞ্চগড়ের বাসিন্দা হওয়ার সুবাদে স্থানীয়রা ছোটবেলা থেকেই কাঞ্চনজঙ্ঘা, পান্ডিম, কুম্ভকর্ণ ও সিনিওলচুর মতো পর্বতশৃঙ্গ দেখে আসছেন। সমতল থেকে পর্বত দেখার এই আনন্দের কোনো শেষ নেই।
সাধারণত শীতকালে দূরের মেঘমুক্ত আকাশে তুষারশুভ্র পাহাড়ের চূড়া ভেসে থাকতে দেখা যায়। রোদের আলোয় চিকচিক করা এই মোহনীয় শোভা উপভোগ করার জন্য শীতকালই সবচেয়ে সেরা সময়। পাহাড় চূড়ার প্রাকৃতিক দৃশ্য সারা দিনে বিভিন্ন রূপ ধারণ করে।

তাই বছরের যেকোনো সময় না গিয়ে অক্টোবর থেকে নভেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত সময়টাতে তেঁতুলিয়ায় যাওয়া সবচেয়ে উত্তম। এই সময়টাতে আকাশ একদম পরিষ্কার থাকে এবং মেঘের সঙ্গে বরফে ঢাকা কাঞ্চনজঙ্ঘার লুকোচুরি খেলার সুযোগ থাকে না। উপজেলার বিভিন্ন ফাঁকা জায়গায় দাঁড়ালে খুব ভোরে মেঘ ও কুয়াশামুক্ত নীল আকাশে খালি চোখেই কাঞ্চনজঙ্ঘার মনোরম দৃশ্য দেখা যায়।
তেঁতুলিয়া থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার জন্য আকাশ যথেষ্ট পরিষ্কার ও রৌদ্রময় থাকতে পারে। যেহেতু মৌসুমী বায়ু বিদায় নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান থাকে, তাই আবহাওয়ার ওপর ভিত্তি করে তারিখ কিছুটা এদিক-পিদিক হতে পারে।
আরও পড়ুন: কম খরচে ভ্রমণের ৩ ‘ম্যাজিক’ কৌশল
কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে হলে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া সদরের ঐতিহাসিক ডাকবাংলো ও পিকনিক স্পট সবচেয়ে উপযুক্ত জায়গা। মহানন্দা নদীর পাড়ে অবস্থিত এই ডাকবাংলোর বারান্দা কিংবা রওশনপুর, বাংলাবান্ধা, বাইপাস, ভজনপুর করতোয়া সেতু ও ভিতরগড় থেকেও খালি চোখে কাঞ্চনজঙ্ঘা উপভোগ করা সম্ভব।
এজেড




