স্বাস্থ্য সচেতন ব্যক্তিদের খাদ্যতালিকায় যেসব খাবারের উপস্থিতি দেখা যায় তার মধ্যে ওটস অন্যতম। ওজন কমানো, হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখা, হজম ভালো রাখার মতো অনেক উপকারিতা রয়েছে এই শস্যের। তবে সম্প্রতি হিতে বিপরীত দেখা যাচ্ছে। ওটসের কারণে বেশ কিছু জটিলতার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। আসলে উপকারি ওটস সবার জন্য ভালো নয়। কিছু মানুষের জন্য এটি ক্ষতির কারণ হতে পারে।
ওটস (oats) একটি পুষ্টিকর খাবার। এতে আছে ফাইবার যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে, ক্ষুধা কমাতে সাহায্য করে। ওটসে রয়েছে বিভিন্ন খনিজ ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে, রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করতে ওটস দারুণ কাজ করে। কোলেস্টরল কমাতে, হজমশক্তি বাড়াতে ওটস খাওয়া বেশ ভালো।
বিজ্ঞাপন

কিন্তু ওটস কিছু মানুষের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। কিছু মানুষের ক্ষেত্রে খাওয়ার পর এটি পেট ফাঁপা বা গ্যাসের কারণ হতে পারে। এমনকি ওটসের কারণে কারো কারো অ্যালার্জিও হতে পারে।
নির্দিষ্ট স্বাস্থ্য সমস্যা যাদের আছে তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওটস খাওয়া উচিত নয়। অনেকসময় বেশি প্রক্রিয়াজাত ওটস সুগার বাড়া-কমার কারণ হতে পারে।

বিজ্ঞাপন
এছাড়াও ওটসে থাকে ফাইটিক অ্যাসিড নামক একটি যৌগ, যা আয়রন ও জিঙ্কের মতো নির্দিষ্ট খনিজ শোষণের জন্য শরীরের ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে। এই কারণে ওটস খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
এনএম




