জ্বালানি সংকট এবং ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয়ের কারণে বিকল্প খুঁজছেন বেশিরভাগ মানুষ। ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমিয়ে কীভাবে অফিস করা যায় সেই কায়দা খুঁজছেন। চলুন এমন কিছু বিকল্প জেনে নেওয়া যাক-
১. দুই চাকার সাইকেল
যাতায়াতের কাজে দুই চাকার বাহন বাইসাইকেল বেছে নিন। এতে জ্বালানিও লাগবে না, শারীরিক শ্রমও হবে। ফলে অর্থ সাশ্রয় হবে। উপরি সুস্থ থাকবেন আপনি।
২. অল্প দূরত্বে হেঁটে চলুন
বাসা থেকে অফিস যদি কম দূরত্বে হয় তাহলে যাতায়াতের জন্য হাঁটুন। ৩০ মিনিট দূরত্বের মধ্যে পায়ে হেঁটে অফিসে যাওয়া আপনার জন্য সেরা বিকল্প হতে পারে। রোজ আধা ঘণ্টা হাঁটলে নানা শারীরিক জটিলতা থেকেও মুক্তি মিলবে।
বিজ্ঞাপন
৩. রাইড শেয়ারিং বা কারপুলিং
একই রুটে একাধিক অফিস কলিগ যাতায়াত করেন? এক্ষেত্রে রাইড শেয়ারিং উপযুক্ত মাধ্যম হতে পারে। একই বাহনে ২-৩ জন যাতায়াত করেন। এতে জ্বালানি খরচ কমে আসবে, অর্থও সাশ্রয় হবে।
৪. ইলেকট্রিক সাইকেল বা স্কুটার
সাধারণ সাইকেল চালানো যদি শারীরিক পরিশ্রমের কারণে কঠিন হয়ে পড়ে তাহলে ইলেকট্রিক সাইকেল ব্যবহার করতে পারেন। এটি চার্জে চলে এবং কম খরচে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়া যায়।

৫. শাটল বাস সার্ভিস:
বর্তমানে ঢাকা শহরে কিছু নির্দিষ্ট রুটে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত শাটল বাস সার্ভিস চালু আছে। এগুলো সাধারণ বাসের চেয়ে আরামদায়ক এবং ব্যক্তিগত গাড়ির চেয়ে অনেক সাশ্রয়ী। চাইলে এগুলো ব্যবহার করতে পারেন।
৬. 'অফ-পিক' আওয়ারে যাতায়াত:
অফিস কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে যাতায়াতের সময় কিছুটা আগে বা পরে নির্ধারণ করতে পারেন। এতে যানজটে বসে থেকে অপচয় হওয়া জ্বালানি ও সময়— দুটোই বাঁচবে।

৭. ডিজিটাল মিটিং ও ভার্চুয়াল কোলাবরেশন:
সব কাজের জন্য যে সরাসরি উপস্থিতি থাকতে হবে এমনটা হয়। সপ্তাহে অন্তত একদিন বা কম জরুরি মিটিংগুলো অনলাইনে করার চেষ্টা করুন। এতে যাতায়াতের ঝক্কি ও খরচ দুটোই কমবে।
এনএম

