হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয় উচ্চ রক্তচাপ। তাই এই শারীরিক সমস্যা নিয়ে সতর্ক না হলেই বিপদ। একসময় মধ্যবয়স পার করার পর মানুষ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল নিয়ে সতর্ক হতেন। কিন্তু বর্তমানে অপেক্ষাকৃত কম বয়সীদের মধ্যেও এই প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে।
দৈনন্দিন জীবনে অত্যধিক চিন্তা, আচমকা কোনো উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হলে বা ঘন ঘন চা-কফি খেলে অনেকের রক্তচাপ বাড়ে। রক্তচাপে সিস্টোলিক ও ডায়াস্টোলিক প্রেসার ১২০/৮০ থাকাকে স্বাভাবিক ধরা হয়। তবে রক্তচাপ যদি এর চেয়ে অনেকটা কম বা বেশি হয়ে যায়, তখনই বিপদের আশঙ্কা দেখা দেয়।
বিজ্ঞাপন

আচমকা প্রবল উচ্চ রক্তচাপ হৃদযন্ত্রের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। রক্তচাপ স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে অল্প বাড়লে এক রকম, কিন্তু হঠাৎ যদি পরীক্ষা করতে গিয়ে দেখেন, রক্তচাপ অনেক বেশি, সেই মুহূর্তে কী করণীয়?
হঠাৎ রক্তচাপ বেড়ে গেলে করণীয়
রোগীকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া, ওষুধ আনতে বেশ কিছুটা সময় লেগে যাবে। চিকিৎসকের পরামর্শ, এক্ষেত্রে প্রথমেই একটু শান্ত হয়ে বসে ধীরে শ্বাস নিতে এবং ছাড়তে হবে। নাক দিয়ে অন্তত ৪-৫ সেকেন্ড ধরে শ্বাস নিতে হবে। শ্বাস ছাড়তে হবে ৬-৭ সেকেন্ড ধরে। ২ মিনিট অন্তর একইভাবে শ্বাস নিতে এবং ছাড়তে হবে। এইভাবে বার কয়েক করলে, ধীরে ধীরে রক্তচাপের মাত্রা কিছুটা কমবে। এরপর তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন বা দরকার হলে ওষুধ দিতে হবে।
বিজ্ঞাপন

হৃৎপিণ্ড সঙ্কোচনের সময় ধমনীতে যে চাপ দেয় তাকে সিস্টোলিক প্রেসার বলে। চিকিৎসকদের মতে, কিছু কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে শ্বাস নেওয়া এবং ছাড়ার এই ব্যায়াম করলে সিস্টোলিক প্রেসার কিছুটা হলেও কমে যায়।
এমন পরিস্থিতি এড়াতে করণীয়
ওজন বশে রাখা দরকার, নিয়মিত শরীরচর্চা জরুরি।
পর্যাপ্ত পানি না খেলে, তার ওপর ঘাম হলে, গরমের দিনে রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে।

খাবারে লবণের ব্যবহার বুঝে করতে হবে। অতিরিক্ত লবণ খাওয়া বা খাবারের সঙ্গে আলাদা করে লবণ খাওয়ার অভ্যাস এ ক্ষেত্রে ক্ষতিকর হতে পারে।
নিয়ম করে প্রাণায়াম করলেও পরিস্থিতি বশে রাখা সম্ভব।
এসবের পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা প্রয়োজন।
এনএম

