দাঁত নিয়ে কমবেশি অনেকেই ভোগেন। দাঁত বা মাড়িতে সংক্রমণ, দন্তক্ষয়, ক্যাভিটির সমস্যায় ভুগছেন অনেকেই। আর দাঁতের রোগ একা আসে না, আরও নানা রোগকে নিমন্ত্রণ করে আনে। এখন মনে হতে পারে, দু’বেলা ব্রাশ করার পরেও কেন দাঁতের সমস্যা হচ্ছে। এর নেপথ্যে থাকতে পারে বিশেষ কিছু ধরনের মাউথওয়াশ ও ওষুধ, যার অত্যধিক ব্যবহারে দাঁত ও মাড়ির ক্ষয় হতে পারে।
দাঁত নিয়ে ভোগেন না এমন মানুষ কমই আছেন। দাঁত বা মাড়িতে সংক্রমণ, দন্তক্ষয়, মাড়ি থেকে রক্ত পড়া, ক্যাভিটির মতো সমস্যা লেগেই আছে। তাছাড়া দাঁতের রোগ একা আসে না। সঙ্গে আরও রোগ টেনে আনে। দাঁতের সুরক্ষায় দুই বেলা ব্রাশ করার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু এই নিয়ম মেনেও অনেকে সমস্যায় ভুগছেন।
বিজ্ঞাপন

দাঁতের সমস্যার নেপথ্যে থাকতে পারে কিছু বিশেষ ধরনের মাউথওয়াশ এবং ওষুধ। যেগুলো অত্যধিক ব্যবহারে দাঁত ও মাড়ির ক্ষয় হতে পারে। চলুন এ বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নিই-
ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
রোজকার ওষুধের মধ্যে যারা অ্যান্টি-হিস্টামিন জাতীয় অ্যালার্জির ওষুধ বেশি খান, তাদের দাঁতের সমস্যা হতে পারে।
বিজ্ঞাপন

রক্ত পাতলা করার ওষুধ, অ্যাসপিরিন জাতীয় ওষুধের কারণে দাঁতের সমস্যা হতে পারে।
অনেকসময় টেট্রাসাইক্লিন জাতীয় অ্যান্টিবায়োটিক বেশি খেলে দাঁতের রং কালচে হয়ে যেতে পারে।
অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ের ক্ষয় রোধের জন্য কিছু ওষুধ আছে, যেগুলো চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বেশি ডোজে খেলে দাঁতের ক্ষতি হতে পারে।

অবসাদ বা উৎকণ্ঠা কমানোর ওষুধ বেশি পরিমাণে খেতে থাকলে তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় দাঁতের ক্ষয় হতে পারে।
কাশির সিরাপে প্রচুর পরিমাণে চিনি ও সাইট্রিক অ্যাসিড থাকে। ছোটদের এই সিরাপ বেশি খাওয়ালে তাদের দাঁতে ক্ষয় হতে পারে। বিশেষ করে রাতে কাশির সিরাপ খেয়ে যদি মুখ না ধুয়ে ফেলেন, তাহলে দাঁতের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে বেশি।
আরও পড়ুন-
চিবিয়ে খাওয়ার ভিটামিন সি ট্যাবলেট অত্যন্ত অ্যাসিডিক। এটি নিয়মিত চিবিয়ে খেলে দাঁতের উপরিভাগে ক্ষয় হতে পারে।
প্রয়োজনের চেয়ে বেশি আয়রন সিরাপ খেলে তা দাঁতের জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠতে পারে।

মাউথওয়াশও দাঁতের ক্ষতির কারণ হতে পারে
ক্লোরোহেক্সিডিন আছে, এমন মাউথওয়াশ প্রতিদিন ব্যবহার করলে দাঁত ও মাড়ির ক্ষতি হতে পারে।
মাউথওয়াশে যদি অ্যালকোহল বেশি থাকে, তাহলে মুখের ভেতরের লালার পরিমাণ কমে যায়। ফলে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। এর থেকেই দাঁতের ক্ষয় শুরু হয়।
মাউথওয়াশ কেনার সময়ে দেখে নেবেন, এতে পিএইচের মাত্রা কত। যদি পিএইচের মাত্রা খুব কম হয়, তাহলে বুঝতে হবে এতে অম্লের ভাগ বেশি। এমন মাউথওয়াশের অত্যধিক ব্যবহারে দাঁতের এনামেল ক্ষয়ে যেতে পারে।
এনএম

