ইট-পাথরের শহরে সবুজের খোঁজ মেলা ভার। তবু ঘুম ভেঙে সকালে সবুজের দিকে তাকালে যেন মনটা শান্তিতে ভরে ওঠে। চোখেরও আরাম মেলে। তাইতো ঘরের আনাচে কানাচে গাছ রাখেন অনেকে। এসব গাছকে ইনডোর প্ল্যান্ট বলা হয়।
রোজকার ব্যস্ত জীবনে গাছপালার যত্ন নেওয়ার জন্য সময় খুব কম মেলে। গাছ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন কিছু গাছ রয়েছে যা সামান্য যত্ন এবং অল্প পানি পেলেই দিব্য বেড়ে ওঠে। স্বল্প যত্নে কোন গাছগুলো ঘরে রাখতে পারেন চলুন জেনে নিই-
বিজ্ঞাপন

১. অ্যালোভেরা
ত্বক ও চুলের যত্নে অনেকেই অ্যালোভেরার শাঁস ব্যবহার করেন। বাতাস থেকে জলীয় বাষ্প সংগ্রহ করে এই গাছ পাতার মধ্যে তা সঞ্চিত রাখে। এই কারণে অ্যালোভেরা গাছে প্রতিদিন পানি দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
২. জিজি প্ল্যান্ট
এটি এমন একটি গাছ, যা কম আলোতেও দিব্যি ভালো থাকে এবং দীর্ঘদিন পানি ছাড়া বেঁচে থাকতে পারে। এর মোমযুক্ত পাতাগুলোতে পানি সঞ্চিত থাকে, তাই ঘন ঘন পানি দেওয়ার প্রয়োজন হয় না।

৩. ক্যাকটাস
মরুভূমির এক ধরনের গাছ ক্যাকটাস। শুষ্ক পরিবেশে এই গাছ বেশ ভালোভাবে বেঁচে থাকে। এই গাছ পুরু কান্ডের ভেতর পানি ধরে রাখে। ফলে ক্যাকটাসকে বাঁচিয়ে রাখতে সূর্যালোক আর পানি খুব কমই লাগে।
৪. স্নেক প্ল্যান্ট
এই গাছ কম আলোতেও বেঁচে থাকে এবং কয়েক সপ্তাহ পর পর পানি দিলেই চলে। এটি খুব সহজেই বেড়ে ওঠে এবং ঘরের ভেতরের বাতাস বিশুদ্ধ রাখতে সাহায্য করে।

৫. মানি প্ল্যান্ট
এই গাছ নমনীয় হলেও প্রতিদিন পানি দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। সূর্যের আলো বাতাস ছাড়াও দীর্ঘদিন বাঁচতে পারে এই গাছ। আবার শুধু পানিতেও দীর্ঘদিন মানি প্ল্যান্ট বাঁচতে পারে।
৬. সাকুলেন্ট প্ল্যান্ট
সাকুলেন্ট তাদের পাতা ও কাণ্ডে পানি জমিয়ে রাখতে পারে। ফলে খুব বেশি পানি দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। কিন্তু এই গাছ সূর্যের আলো ছাড়া বাঁচতে পারে না।

৭. বাগান বিলাস
কড়া রোদ এবং শুষ্ক পরিবেশে কাগজ ফুল বা বাগান বিলাস খুব ভালোভাবে বাঁচতে পারে। রুক্ষ মাটিতে এই গাছ খুব দ্রুত বেড়ে ওঠে।

