সাজগোজ সম্পূর্ণ করার ক্ষেত্রে পারফিউমের জুড়ি মেলা ভার। চেনা মানুষের পারফিউমের ঘ্রাণ নাকে আসলে অজান্তেই মন ভালো হয়ে যায়। ঘামের দুর্গন্ধ দূর করতে বেশিরভাগ মানুষ পারফিউম ব্যবহার করেন। আপনিও কি একজন পারফিউম প্রেমী? বার বার এটি ব্যবহার করলে কী কী বিপদ হতে পারে জেনে নিন-
বৈজ্ঞানিক গবেষণা অনুযায়ী, অতিরিক্ত পারফিউম বা সুগন্ধি ব্যবহার করলে অনেকের মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা এমনকি অ্যাংজাইটির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। পারফিউম নিয়ে গবেষণায় উঠে এসেছে এমনই কিছু তথ্য।
বিজ্ঞাপন

International Journal of Environmental Research and Public Health (২০১৮)-এ প্রকাশিত একটি স্টাডি থেকে জানা গেছে, বহু মানুষের স্মৃতি ও আবেগের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত সুগন্ধি। অতিরিক্ত তীব্র গন্ধ মস্তিষ্কে চাপ ফেলে। ফলে হার্টবিট বেড়ে যায়, শ্বাসপ্রশ্বাসে সমস্যা হয়, অস্বস্তি ও অস্থিরতা বাড়তে পারে। কৃত্রিম সুগন্ধি অ্যাংজাইটি ও প্যানিক বাড়াতে পারে। তাই কারোর অ্যাংজাইটি ডিসঅর্ডার থাকলে পারফিউম ব্যবহার না করাই ভালো।
তবে শুধু মাথাব্যথা নয়, অতিরিক্ত সুগন্ধির ব্যবহার আরও বিপদে ফেলতে পারে। ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী কৃত্রিম পারফিউমের বহুল ব্যবহারে নাক ও চোখে জ্বালা, ঘুমের সমস্যা, মনোযোগ কমে যাওয়া, মুড সুইং এর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে বদ্ধ জায়গায় যেমন অফিস, লিফট বা গাড়িতে অতিরিক্ত পারফিউম ব্যবহার করলে সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে।

বিজ্ঞাপন
তাহলে কি পারফিউম ব্যবহার একেবারে বন্ধ করে দেবেন? সচেতনভাবে সুগন্ধি ব্যবহার করলে সঙ্গ ছাড়তে হবে না। কীভাবে পারফিউম ব্যবহার করলে সমস্যা হবে না? হালকা, ন্যাচেরাল বা এসেনশিয়াল অয়েল-বেসড পারফিউম ব্যবহার করুন। দিনে ১–২ স্প্রের বেশি ব্যবহার না করাই ভালো।
ত্বকে সরাসরি পারফিউম ব্যবহার না করে কাপড়ে হালকা স্প্রে করাই ভালো। মাথাব্যথা বা অস্বস্তি বা কোনো রকম সমস্যায় পড়লে পারফিউম ব্যবহার করা ছেড়ে দিন।
এনএম

