মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ঢাকা

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভুগছেন? পানি খান ‘চিবিয়ে’ 

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:৪৩ পিএম

শেয়ার করুন:

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভুগছেন? পানি খান ‘চিবিয়ে’ 

ভাজাপোড়া বা টক জাতীয় খাবার খাওয়া বন্ধ রেখেছেন, পানিও খাচ্ছেন পর্যাপ্ত। তবু গ্যাস্ট্রিকের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি নেই। এই বুক জ্বলছে তো এই ব্যথা করছে পেট। এমন সমস্যার কারণ হতে পারে ভুল নিয়মে পানি খাওয়া। চিকিৎসকরা বলছেন, গ্যাস্ট্রিক বা অম্বল থেকে মুক্তি পেতে চাইলে পানি খেতে হবে চিবিয়ে! 

কি হাসি পেল? ছোটবেলায় পড়া কবিতার লাইন মনে পড়ে গেল? ‘সফদার ডাক্তার মাথাভরা টাক তার/ খিদে পেলে পানি খায় চিবিয়ে’। ডাক্তারবাবুর এই অভ্যাস কিন্তু স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ উপকারি। কারণ দীর্ঘক্ষণ পানি না খেয়ে থাকার পর একবারে অনেকটা পানি খেলে ফেললে ক্ষতি হতে পারে কিডনির। তাই চিকিৎসকরা সারা দিনে অল্প অল্প করে পানি পানের পরামর্শ দেন। 


বিজ্ঞাপন


6080ff11fa9b24726e7259c3_types-of-drinking-water-explained-hero-image

এখন প্রশ্ন হলো পানি আবার কীভাবে চিবিয়ে খাওয়া যায়? আসলে চিবিয়ে খাওয়া বলতে সময় নিয়ে ধীরে ধীরে খাওয়ার কথা বোঝানো হয়েছে। একেবারে এক গ্লাস পানি ঢক ঢক করে না খেলে অল্প অল্প চুমুক দিয়ে খান। তাহলেই মিলবে উপকার। 

আরও পড়ুন- 
 
 
 

পানি চিবিয়ে খেলে কীভাবে গ্যাস্ট্রিক কমে? 

সময় নিয়ে পানি খেলে মুখের ভেতরে থাকা লালারসের সঙ্গে পানি মিশে যেতে পারে। ফলে হজমে সহায়ক উৎসেচকগুলো সক্রিয় হয়ে ওঠে। খাবার বা পানীয় খাদ্যনালি দিয়ে প্রবেশ করতে চলেছে সেই সঙ্কেত পৌঁছে দেয় পাকস্থলীতে। তড়িঘড়ি অনেকটা পরিমাণ পানি একবারে খেয়ে ফেললে মুখগহ্বর, খাদ্যনালি এবং পাকস্থলীর স্বাভাবিক ছন্দ ব্যাহত হয়। 

man-holds-drinking-water-in-arm-outstreched

পুষ্টিবিদরা বলছেন, ঢোঁক গেলার আগে মুখের মধ্যে বেশ খানিকক্ষণ পানি রেখে, ঘুরিয়ে, সময় নিয়ে খেলে লালারস উৎপাদনের পরিমাণ বাড়ে। অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যাও নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই এই অভ্যাসে সহজেই গ্যাস, অম্বল, অ্যাসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি মেলে। 

আরও পড়ুন- 
 
 
 

সময় নিয়ে পানি খেলে মিলবে এসব উপকারিতাও 

সময় নিয়ে পানি খাওয়ার অভ্যাসে গলার পেশি সক্রিয় হয়। মুখ, গলা, খাদ্যনালির আর্দ্রতা বজায় থাকলে শুকনো কাশি, বিষম লাগা কিংবা হেঁচকি ওঠার সমস্যাতে ভুগতে হয় না। ‘চিবিয়ে’ পানি খেলে শরীরের প্রায় সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ স্বাভাবিকভাবে পানি শোষণ করতে পারে। দ্রুত মূত্রত্যাগের বেগ আসে না। রক্তপ্রবাহ স্বাভাবিক থাকে।

এনএম

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর