দেহের বাড়তি ওজন কমাতে ডায়েট করেন অনেকেই। নিজের প্রিয় খাবারগুলোকে রাখেন দূরে। তবুও মন যেন মানে না। কখনো কখনো ইচ্ছে হয় একটু আইসক্রিম, বার্গার বা বিরিয়ানি খেতে। ডায়েটের ফাঁকে একদিন এক বেলা নিজের ইচ্ছেমতো খাবার খাওয়ার বিষয়টিকে বলা হয় ‘চিট মিল’।
কিছু বিষয় খেয়াল রাখলে একদিনের এই খাবার শরীরের তেমন কোনো ক্ষতি করে না। বরং তা অন্য দিনের ডায়েটের মাধ্যমে পুষিয়ে নেওয়া যায়। এমন কিছু নিয়ম সম্পর্কে জানুন।
শরীরচর্চার আগে বা পরে
চিট মিল একটু বুদ্ধি করে খেতে হবে। হয় শরীরচর্চার আগে, না হয় পরে খান। ওয়ার্ক আউটের আগে খেলে ব্যায়ামের ফলে খাবার গ্লাইকোজেন ফ্যাটে পরিণত হতে পারবে না। পরে খেলে তা পেশির ক্ষয় কমাতে সাহায্য করবে।
সময় মানুন
চিট মিলের ক্ষেত্রে সময় খুব গুরুত্বপূর্ণ। চিট মিল যত কম হবে, যত কম সময় ধরে খাবেন, শরীরে মেদ জমার পরিমাণও ততই কম হবে। কখনই ৩০-৪৫ মিনিটের বেশি সময় ধরে এসব খাবার খাবেন না। অনেকেই চিট মিল পরিবর্তে, চিট ডে বেছে নেন। সারাদিন নিজের ইচ্ছেমতো খান। এমনটা না করে যেকোনো এক বেলা পছন্দের খাবার খান।
ওজন বুঝে খাওয়া
কতটুকু খাবার চিট মিলে খেতে পারবেন? আপনার ওজন যদি খুব বেশি না হয় তাহলে মাঝেমধ্যে এমনটা করতে পারেন। ওজন যত বেশি হবে, চিট মিল খাওয়াও তত কমাতে হবে।
ডায়েটের শুরুতেই চিট মিল নয়
ডায়েট শুরুর এক সপ্তাহের মাথায়ই চিট মিল খেলেন। তাহলে কিন্তু কোনো লাভ হবে না। পুষ্টিবিদদের মতে, ডায়েট শুরুর অন্তত ৩০ দিনের মধ্যে চিট মিল না খাওয়াই ভালো। শরীরে যত বেশি মেদ থাকবে, গ্লাইকোজেন ফ্যাটে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা ততই বাড়বে। আর যদি অতিরিক্ত খাওয়ার কারণেই আপনি মোটা হয়ে থাকেন, তা হলে চিট মিল অল্প খেয়ে কখনও থামতে পারবেন না। ফলাফল, ওজন কমানোর পুরো চেষ্টাই হবে বৃথা।
চিট মিলের ক্ষেত্রে জম্পেশ খাওয়ার চিন্তা বাদ দিন। যেকোনো একটি পছন্দের খাবার বেছে নিন। এতে ক্যালোরি কম প্রবেশ করবে দেহে। সম্ভব হলে খাবারটি বাসাতেই তৈরি করুন। রেস্টুরেন্টের খাবারে উচ্চ ক্যালোরি থাকে। তাছাড়া বাইরে খেতে গেলে, একটি খেলে অন্য খাবারও খেতে ইচ্ছে করে। যা আপনার জন্য ক্ষতির কারণ।
এনএম




