বর্তমানে অসংখ্য ঘর-বাড়িতে রান্নার কাজে গ্যাসের সিলিন্ডার ব্যবহার করা হয়। নিয়মিত ব্যবহার করতে করতে একসময় গৃহিণীর ধারণা হয়ে যায় একটি সিলিন্ডার কতদিন চলতে পারে তা নিয়ে। তবে সবসময় সিলিন্ডার লাগানোর তারিখ মনে রাখা সম্ভব হয় না। তখন দুশ্চিন্তায় থাকতে হয় গ্যাস শেষ হওয়ার সময় নিয়ে।
একটি বাড়িতে কতজনের রান্না হচ্ছে আর কীভাবে রান্না করা হচ্ছে— এমন কিছু বিষয়ের ওপর নির্ভর করে গ্যাস সিলিন্ডার কতদিন চলবে। তবে যতই পোক্ত ধারণা থাকুক না কেন, মাস খানেক পার হওয়ার পর একটা দুশ্চিন্তা চলেই আসে।
বিজ্ঞাপন

অনেকে ভাবেন, সিলিন্ডারে কতটুকু গ্যাস আছে তা আগে থেকে যদি বোঝা যেত তাহলে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়ানো সহজ হতো। সেই উপায় কিন্তু আসলেই আছে। আজ চলুন সিলিন্ডারে কতটুকু গ্যাস আছে তা জানার ট্রিক্স জেনে নিই-
যখনই দেখবেন গ্যাসে রান্না করার সময় লাল আগুন উঠছে তখন বুঝতে হবে চুলার বার্নারে ময়লা জমেছে, নয়তো গ্যাস ফুরিয়ে এসেছে।

বিজ্ঞাপন
সিলিন্ডারে কতটুকু গ্যাস আছে তা জানার আরও একটি উপায় রয়েছে। এজন্য প্রথমে একটি ভেজা কাপড় দিয়ে সিলিন্ডার মুছে নিন। সিলিন্ডার ভালো করে মোছা হলে ২-৩ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার খেয়াল করলে দেখবেন, সিলিন্ডারের কিছুটা অংশের ভেজা ভাব শুকিয়ে গিয়েছে আর বাকি অংশ তখনও ভেজা রয়েছে।
সিলিন্ডারের যে অংশটি শুকাতে বেশি সময় নিচ্ছে, সেই অংশটুকুই রান্নার গ্যাসে ভরা রয়েছে আর যে অংশটি তাড়াতাড়ি শুকিয়ে গিয়েছে, সিলিন্ডারের সেই অংশটি খালি। কারণ, সিলিন্ডারের যে অংশে তরল রয়েছে, সেখানকার তাপমাত্রা খালি জায়গার তুলনায় কিছুটা হলেও কম হবে।

তাই সিলিন্ডারের যে অংশে এলপিজি গ্যাস রয়েছে, সেই অংশটির তাপমাত্রা অপেক্ষাকৃত কম বলে শুকাতে বেশি সময় লাগে।
এনএম

