রোজ ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। ব্লাড সুগারের বাড়তি মাত্রা নিয়ে ভুগছেন অসংখ্য মানুষ। আর তাই কীভাবে সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখবেন তার উপায় খোঁজেন।
চিকিৎসকদের মতে, ডায়াবেটিস রোগীদের অবশ্যই খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। চারপাশে থাকা কিছু প্রাকৃতিক জিনিস দিয়েই সুগারের মাত্রা স্বাভাবিক রাখা সম্ভব। এর মধ্যে ফুল অন্যতম উপাদান। জানলে অবাক হবেন, প্রকৃতিতে থাকা কিছু ফুলই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। চলুন ফুলগুলো সম্পর্কে জেনে নিই-
বিজ্ঞাপন

ডালিয়া ফুল
দেখতে সুন্দর ফুলটি স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারি। অক্সফোর্ড অ্যাকাডেমিক লাইফ মেটাবলিজমে প্রকাশিত গবেষণা অনুযায়ী, ডালিয়া ফুলের পাপড়িতে তিনটি অণু থাকে যা প্রিডায়াবেটিস এবং টাইপ 2 ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে।

বিজ্ঞাপন
নয়নতারা ফুল
বিজ্ঞানসম্মতভাবে এই ফুলটি মাদাগাস্কার পেরিউইঙ্কল নামে পরিচিত। ডায়াবেটিস, গলার সংক্রমণ, রক্তচাপ, ক্যানসার এবং ত্বকের রোগসহ অনেক স্বাস্থ্য সমস্যার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় এই ফুল। গাছ থেকে প্রাপ্ত রস ইনজেকশনের মাধ্যমে ক্যানসারের চিকিৎসায়ও ব্যবহার করা যায়।

কলা ফুল (মোচা)
২০১৩ সালে ন্যাশনাল সেন্টার ফর বায়োটেকনোলজি ইনফরমেশন দ্বারা পরিচালিত একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, কলা ফুল শরীরে বর্ধিত সুগারের সঙ্গে যুক্ত একটি নির্দিষ্ট প্রোটিনের উৎপাদন কমিয়ে সুগারের মাত্রা কমাতে সাহায্য করতে পারে। সুগার নিয়ন্ত্রণ ছাড়াও এটি ওজন কমাতে, কোলেস্টেরল কমাতে এবং স্বাস্থ্যকর পরিপাকতন্ত্র গঠনে সাহায্য করে।

জবা
শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে উপকারি ভূমিকা রাখে হিবিস্কাস ফুল বা জবা ফুল দিয়ে তৈরি চা। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, জবা ইনসুলিন প্রতিরোধের উন্নতি করতে পারে। অর্থাৎ ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য জবা চা উৎকৃষ্ট পানীয়।

অপরাজিতা ফুল
আকর্ষণীয় এই ফুলটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মতো গ্রীষ্মমন্ডলীয় অঞ্চলে পাওয়া যায়। গবেষণা অনুযায়ী, এই ফুলটি হাইপোগ্লাইসেমিক বৈশিষ্ট্যের কারণে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে। এটি ডায়াবেটিস বা প্রিডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী।
এনএম




