ডালে প্রোটিনের পরিমান শতকরা ২৫ ভাগ। দামেও সস্তা। তাই ডালকে গরীবের আমিষ বলা হয়। প্রোটিন ছাড়াও ডালে পর্যাপ্ত শর্করা, চর্বি ও খনিজ লবণ থাকে। যে সব উদ্ভিজ্জ খাদ্যে প্রোটিন পাওয়া যায়, তার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ডাল। ডালের গুণের শেষ নেই। এতে থাকে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট। যারা অতিরিক্ত মেদ ঝরিয়ে ওজন কমাতে চান, তাদের জন্য অত্যন্ত উপযোগী একটি খাদ্য। জেনে নিন কোন ডালের কী গুণ।
মুসুর ডাল
বিজ্ঞাপন
যারা ওজন কমাতে চাইছেন, তাদের জন্য প্রোটিন অত্যন্ত জরুরি। তার জন্য একটি বিকল্প হল মুসুর ডাল। ১০০ গ্রাম মুসুর ডালে প্রায় ২৬ গ্রাম প্রোটিন থাকে। পাশাপাশি, মুসুর ডালে থাকে প্রচুর পরিমাণে ক্যালশিয়াম ও ফাইবার। অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টের মাত্রাও বেশ ভাল মুসুর ডালে।
মুগ ডাল
মুগ ডাল কোলেসিস্টোকাইনইন হরমোনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে। ফলে উন্নত হয় মৌল বিপাক হার। পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, কপার ও ভিটামিন বি কমপ্লেক্সে ভরপুর মুগ ডাল রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ও মস্তিষ্ক ভাল রাখতে সাহায্য করে। কাজেই মুগ, মুসুরই হোক বা রাজমা, নিজগুণে কম যায় না কেউই।
ছোলার ডাল
বিজ্ঞাপন
ছোলায় ২০ শতাংশের কাছাকাছি প্রোটিন থাকে। সেই কারণেই ক্রীড়াবিদরা সকালে খেলাধুলা করার আগে নিয়মিত ভিজিয়ে রাখা ছোলা খান। কারণ, এতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। যাঁরা নিরামিষ খাবার খান, তাঁদের দেহে প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ করতে পারে ছোলা।
খেসারির ডাল
প্রতি ১০০ গ্রাম খেসারি ডালে রয়েছে ক্যালরি ৩২৭ গ্রাম, আমিষ ২২.৯ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৯০ মি.গ্রা, শর্করা ৫৫.৭ গ্রাম এবং আয়রণ ও ফ্যাট ০.৭ গ্রাম।
মাসকলাই ডাল
মাসকলাই ডাল অত্যন্ত সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর। মূলত ভারতীয় উপমহাদেশে এই ডাল বেশ জনপ্রিয়। সবজি কিংবা মাছ বা মাংসের সাথে এই ডাল পরিবেশন করা হয়।
প্রতি ১০০ গ্রাম মাসকলাইর ডালে রয়েছে ক্যালরি ৩৪১ গ্রাম, পটাসিয়াম ৯৮৩ মি.গ্রা, প্রোটিন ২৫ গ্রাম, সোডিয়াম ৩৮ মি.গ্রা, ক্যালসিয়াম ১৩৮ মি.গ্রা এবং আয়রণ ৭.৫৭ মি.গ্রা।
এতে আরোও রয়েছে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স।
এজেড




