ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের ঘোঘা বটতলা এলাকায় শ্যামলী পরিবহনের বাসের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সের সংঘর্ষের ঘটনায় নিহতদের পরিবার ও আহতদের চিকিৎসার জন্য ১০ লাখ টাকা দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। শ্যামলী এনআর পরিবহনকে এই আদেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছিল সেসময়। সেই ক্ষতিপূরণের মধ্যে নগদ ৫ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে আজ। বাকি ৫ লাখ আগামী ১৫ দিন পর পরিশোধ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) এ বিষয়ে এক আবেদনের শুনানি করে বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
বিজ্ঞাপন
এদিন আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন মোহাম্মদ শিশির মনির। অপরদিকে শ্যামলী এন আর পরিবহনের পক্ষে ছিলেন তাজুল ইসলাম ও তারিকুল ইসলাম।
আদালত থেকে বেরিয়ে তাজুল ইসলাম ঢাকা মেইলকে জানান, আমরা ভুক্তভোগীদের চিকিৎসার জন্য ৫ লাখা টাকা আজকেই পরিশোধ করেছি। বাকি টাকা ১৫ দিন পর পরিশোধ করতে হবে।
আদালত আদেশে শ্যামলী এন আর পরিবহনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শুভংকর ঘোষ রাকেশকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন। আগামী বছরের জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে এই মামলার পরবর্তী আদেশ দেবেন আদালত। দুর্ঘটনার শিকার অ্যাম্বুলেন্সটিতে স্ত্রীর লাশ নিয়ে ফিরছিলেন গাইবান্ধা সদর উপজেলার কলমা বাজার এলাকার আয়নাল হক। দুর্ঘটনায় আয়নাল ও অ্যাম্বুলেন্সচালক নিহত হন।
এর আগে গত ৭ ডিসেম্বর মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত পরিবারের সদস্যদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া সংক্রান্ত আদালতের নোটিশ গ্রহণ না করা ও আহতদের কোনো খোঁজখবর না নেওয়ায় শ্যামলী এন আর পরিবহনের মালিককে ভর্ৎসনা করেন হাইকোর্ট। আয়নালের পরিবারের সদস্য ও আহতদের জন্য ১ কোটি ৭১ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ কেন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে গত ৭ আগস্ট রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট।
বিজ্ঞাপন
এআইএম/এইউ

