জুলাই আন্দোলনে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) সাবেক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে প্রসিকিউশন এই অভিযোগ জমা দেয়।
আগামী রোববার (২ আগস্ট) এ বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।
প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, তদন্ত সংস্থা দীর্ঘ তদন্ত শেষে চিফ প্রসিকিউটরের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করে। দালিলিক ও মৌখিক সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা করে আজ ৩৮ আসামির বিরুদ্ধে ফরমাল চার্জ গঠন করা হয়।
আসামিরা হলেন– খায়রুজ্জামান লিটন, মো. আসাদুজ্জামান আসাদ, ডাবলু সরকার, বিপ্লব বিজয় তালুকদার, হুমায়ুন কবির, রকি কুমার ঘোষ, রাশিক দত্ত, জহিরুল ইসলাম রুবেল, বাপ্পী চৌধুরী রনি, মহিদুল ইসলাম মোস্তফা, খালিদ হাসান বিপ্লব, রাশেদুল করিম রোজেল, মেহেদী হাসান ওরফে রনি, জেডু সরকার ওরফে জাবেদুর রহমান, আব্দুল হামিদ সরকার ওরফে টেকন, আনোয়ার হোসেন ওরফে আনার, আরমান আলী, আব্দুল মোমিন, শাহাদত হোসেন শাহু, তৌহিদুল হক সুমন, মাহতাব হোসেন চৌধুরী, আলাউদ্দিন ওরফে আলাল, সরিফুল ইসলাম বাবু, মো. নাবিল হাসান, মাহমুদুল হাসান রাজীব, ফরহাদ হোসেন বিপ্লব, তৌরিদ আল মাসুদ রনি, মেহেদী হাসান রিমেল ওরফে রিগেন, আশরাফুল ইসলাম জাফর, সুকান্ত কুমার দাস, ফয়সাল আহমেদ রুনু, নুর মোহাম্মদ সিয়াম, আসাদুল্লা-হিল-গালিব, গোলাম কিবরিয়া, আলাল পারভেজ লুলু, মনিরুজ্জামান খান ওরফে মনির, শফিকুজ্জামান ওরফে শফিক ও মোহাইমিনুল ইসলাম মানিক।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দুপুরে রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার শেখেরচক স্বচ্ছ টাওয়ারের বিপরীতে লবঙ্গ রেস্টুরেন্টের সামনে আন্দোলনকারী রায়হান আলীকে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয়। একই সময় শাহ মখদুম কলেজের সামনে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন আনজুম সাকিব। এছাড়া সালমান ওরফে শিমুলসহ আরও অন্তত ৪৫ জন এই হামলায় গুরুতর আহত হন।
প্রসিকিউশনের দাবি, শেখেরচক স্বচ্ছ টাওয়ারের সামনে, শাহ মখদুম কলেজের সামনে, পদ্মা নদীর বেড়িবাঁধ, আলুপট্টি মোড় ও আশপাশের এলাকায় সংঘটিত এসব ঘটনা মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল, যা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
আরএনবি/এমআই




