জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী বিভিন্ন অপরাধের মামলায় হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়েছে। ফলে যেকোনো দিন রায় ঘোষণা হতে পারে বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ সর্বশেষ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে রাষ্ট্রপক্ষ।
বিজ্ঞাপন
হাসানুল হক ইনু জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি ও আওয়ামী লীগ সরকার আমলে তথ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
জানা গেছে, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে কুষ্টিয়ায় ৬-৭ জন নিহতের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা হয়। এই মামলায় তার বিরুদ্ধে ৮টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে।
প্রসিকিউশনের দাবি, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উসকানি ও প্ররোচনা দিয়েছেন হাসানুল হক ইনু। ইনুর প্ররোচনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনা বিভিন্ন ধ্বংসাত্মক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেন।
এ ছাড়া আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোটের অন্যতম শীর্ষ নেতা হিসেবে এসব অপরাধের ক্ষেত্রে তার ওপর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দায় (সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটি) বর্তায় বলেও প্রসিকিউশন যুক্তি উপস্থাপন করেছে।
বিজ্ঞাপন
গত বছরের ১ ডিসেম্বর এ মামলায় প্রসিকিউশনের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। এর আগে ২৫ সেপ্টেম্বর প্রসিকিউশন সুনির্দিষ্ট আটটি অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করে। একই দিন শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেন।
২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
এফএ




