গত বছরের ২৯ আগস্ট ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আওয়ামী লীগের পক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকার কারণে আটক হন সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী। এরপর তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়। সেই থেকে তিনি কারাগার থেকে আদালতে হাজিরা দিয়ে আসছেন। ছয় মাস আগে তার আইনজীবী এ বিষয়ে আবেদন করেন।
বুধবার (১৩ মে) সেই আবেদনের শুনানি শেষে আদালত সিদ্ধান্ত দেন।
বিজ্ঞাপন
আদালত লতিফ সিদ্দিকীকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দেন। একই সঙ্গে মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২৪ জুলাই দিন ধার্য করা হয়। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক জুয়েল রানা শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এ সময় লতিফ সিদ্দিকী বিচারকের উদ্দেশে বলেন, ছয় মাস আগে আইনজীবীর মাধ্যমে আবেদন করা হয়েছিল, আজ আদেশ হলো। আদালতে আসতে আমার আপত্তি নেই, হাজিরা দেবো। এখন তো এটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।
তার এমন বক্তব্যের জবাবে বিচারক বলেন, আদালত তার আবেদন মঞ্জুর করেছেন। তবে আদালতে উপস্থিত হওয়া তার ব্যক্তিগত বিষয়।
এদিকে লতিফ সিদ্দিকীর আইনজীবী গোলাম রাব্বানী জানিয়েছেন, আদালত আবেদন গ্রহণ করলেও লতিফ সিদ্দিকী নিজে আদালতে উপস্থিত থাকার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
এর আগে গত ২৯ আগস্ট আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, হাফিজুর রহমান কার্জন ও মো. আবদুল্লাহ আল আমিনসহ ১৬ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে ৬ নভেম্বর হাইকোর্ট থেকে জামিন পান লতিফ সিদ্দিকী।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির প্রতিবাদে ‘মঞ্চ ৭১’ নামে একটি সংগঠনের উদ্যোগে গত ২৮ আগস্ট ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে একটি গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, বৈঠক চলাকালে একদল ব্যক্তি স্লোগান দিতে দিতে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। অভিযুক্তরা অনুষ্ঠানের ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেন এবং অংশগ্রহণকারীদের কয়েকজনকে অবরুদ্ধ ও হেনস্তা করেন। পরে ঘটনাস্থল থেকে ১৬ জনকে আটক করে পুলিশ।
পরে ঘটনাটির পর শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক আমিরুল ইসলাম সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি দায়ের করেন।
এমআইকে/এআর




