ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মিমোকে (২৬) আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীর (৪৬) তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
রোববার (৩ মে) তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে তিন দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনজুরুল ইসলাম তার রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
বিজ্ঞাপন
বাড্ডা থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক কামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গত ২৬ এপ্রিল রাজধানীর উত্তর বাড্ডার এলাকায় অভিযান পচিালনা করে সুদীপকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরদিন তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়ায় পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাড্ডা থানার এসআই কাজী ইকবাল হোসেন। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গত ২৬ এপ্রিল সকালে বাড্ডার বাসায় মুনিরা মাহজাবিন মিমোকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তার বাবা। ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।
ওই ঘটনায় একইদিন মিমোর বাবা গোলাম মোস্তফা মেয়েকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে বাড্ডা থানায় সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে মামলা করেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, মুনিরা মাহজাবিন মিমোর ব্যবহৃত হোয়াটসঅ্যাপ ম্যাসেজ দেখে বাদীর মনে হয় যে, আসামি সুদীপ চক্রবর্তীর সঙ্গে তার মেয়ের ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল। আসামি ও মিমো গত ২৭ এপ্রিল রাত ১টায় সর্বশেষ ভিডিও কলে কথাবার্তা বলেছে। ওই কথোপকথোনের প্রেক্ষিতে বাদীর মেয়ে আসামির দ্বারা প্ররোচিত হয়ে আত্মহত্যা করেছে।
এফএ




