আগামী ২৯ ও ৩০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। সেখানে কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি, সম্পাদকসহ ২৩টি পদে লড়বেন প্রার্থীরা। তবে এবারের নির্বাচনে নেই ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের কোনো প্যানেল।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুর ২টায় আইনজীবী সমিতির সম্মেলন কক্ষে কোর্ট রিপার্টার্স অ্যাসোসিয়শনের সদস্যদের মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞাপন
এবারের নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী (বিএনপি) আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত নীল প্যানেল ও জামায়াত সমর্থিত সবুজ প্যানেলের ২৩ জন করে মোট ৪৬ জন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ৯ জন বিভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
তবে রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় আওয়ামী লীগের কোনো প্রার্থী এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন না। চব্বিশের ৫ আগস্টের আগে আওয়ামী লীগ সাদা প্যানেলে, বিএনপি ও জামায়াত নীল প্যানেলে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতো।
এবার বিএনপি নীল প্যানেলে থাকলেও জামায়াত সবুজ প্যানেলে এককভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে।
সভায় জানানো হয়, ভোটাররা কোনো প্রকার বাধা ছাড়াই ভোট দিতে পারবেন এবং গণনা স্বচ্ছতার সঙ্গেই হবে।
বিজ্ঞাপন
আইনজীবী সমিতির এবারের নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন অ্যাডভোকেট মো. বোরহানউদ্দিন। তিনি দাবি করেছেন, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে।
অ্যাডভোকেট বোরহানউদ্দিন বলেন, ইতোমধ্যে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। আগামি ২৯ ও ৩০ এপ্রিল সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। ৩০ হাজার আইনজীবী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
তিনি বলেন, চব্বিশের ৫ আগস্টের পরে সব জায়গায় নির্বাচন হলেও ঢাকা বারে নির্বাচন হয়নি। তাই আইনজীবীদের জন্য এবারের নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ।
এই আইনজীবী আরও জানান, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কোনো সদস্য যদি ভোট দিতে আসেন বা মব সৃষ্টি হয়, সে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দেখবে। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যথেষ্ট ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বিএনপি থেকে যারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন
সভাপতি পদে আনোয়ার জাহিদ ভুঁইয়া, সিনিয়র সহসভাপতি রেজাউল করিম চৌধুরী, সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম খান, ট্রেজারার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান আনিস, সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক ইলতুমিশ সওদাগার আ্যনি, সহ-সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান জুয়েল, লাইব্রেরি সেক্রেটারি খন্দকার মাকসুদুল হাসান, কালচালার সেক্রেটারি মারজিয়া হিরা, অফিস সেক্রেটারি আফজাল হোসেন মৃধা, স্পোর্টস সেক্রেটারি সোহেল খান, সোস্যাল ওয়েলফেয়ার সেক্রেটারি এ এইচ এম ফিরোজ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক।
কার্যকরী সদস্য পদের প্রার্থীরা হলেন- এ এইচ এম রেজাউনুল সৈয়দ রোমিও, ফিরোজা ইয়াসমিন, মামুন মিয়া, আদনান রহমান, নজরুল ইসলাম মামুন, নিজামউদ্দিন, সামিউল, মোজাহিদুল ইসলাম সায়েম, শেখ শওকত হোসেন, সৈয়দ সারোয়ার আলম নিশান।
জামায়াত থেকে যারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন
সভাপতি পদে এস এম কামাল উদ্দিন, সিনিয়র সহসভাপতি শহিদুল ইসলাম, সহসভাপতি লুতফর রহমান আজাদ, সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক, ট্রেজারার আজমত হোসেন, সিনিয়র সহসাধারণ সম্পাদক শাহিন আক্তার, সহসাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ভূঁইয়া, লাইব্রেরি সেক্রেটারি শাহাদাত হোসেন, কালচালার সেক্রেটারি বিলকিস আক্তার, অফিস সেক্রেটারি আব্দুর রাজ্জাক, স্পোর্টস সেক্রেটারি বাবুল আক্তার বাবু, সোস্যাল ওয়েলফেয়ার সেক্রেটারি মোহাম্মদ শাহাজাহান মোল্লা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ।
কার্যকরী সদস্য পদের প্রার্থীরা হলেন- বেলাল হোসেন, দিলরুবা আক্তার, জহিরুল ইসলাম, কাওসার আহম্মেদ,কাইয়ুম হোসেন নয়ন, মহসিন রেজা, ওমর ফারক, শাহ আলম, ইউনূস ও মোশারফ হোসেন।
এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীরা হলেন- সভাপতি পদে মোহাম্মদ ইউনুস আলী বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক পদে বলাই চন্দ্র দেব, মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ, ট্রেজারার পদে রফিকুল ইসলাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে দেওয়ার আবুল হোসেন, কালচালার সেক্রেটারি পদে ওলিদা বেগম।
এএইচ




