আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের আয়কর নথি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (৮ এপ্রিল) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিজ্ঞাপন
দুদকের সহকারী পরিচালক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. ফেরদৌস রহমান সাবেক সংস্কৃতি মন্ত্রীর আয়কর নথি জব্দ চেয়ে আবেদন করেন।
আরও পড়ুন: ইউনূস সরকারের ১৪ অধ্যাদেশ সংসদে পাস
আবেদনে বলা হয়, আসামি অসৎ উদ্দেশে নিজ ক্ষমতা অপব্যবহার করে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ৫ কোটি ৩৭ লাখ ১ হাজার ১৯০ টাকা মূল্যের সম্পদের মালিকানা অসাধু উপায়ে অর্জন করে দখলে রেখেছেন। এ ছাড়া তার নামে ১৯টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের হিসাবে ১৫৮ কোটি ৭৮ লাখ ৪৭ হাজার ৮৯৮ টাকার সন্দেহজনক লেনদেন রয়েছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আসামির আয়কর নথির স্থায়ী অংশ ও বিবিধ অংশসহ সংশ্লিষ্ট যাবতীয় রেকর্ডপত্র জব্দ করে পর্যালোচনা করা একান্ত প্রয়োজন।
বিজ্ঞাপন
এর আগে গত বছরের ৩০ জুলাই ৫ কোটি ৩৭ লাখ টাকার ‘অবৈধ সম্পদ অর্জন’ এবং ১৫৮ কোটি ৭৮ লাখ টাকার বেশি ‘মানি লন্ডারিংয়ের’ অভিযোগে আসাদুজ্জামান নূরের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। পরে একই বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর তার নামে থাকা চারটি ফ্ল্যাট ও ১০ কাঠা জমি জব্দের আদেশ দেন আদালত। একইসঙ্গে তার ১৬টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দেওয়া হয়।
আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ২০২৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে গ্রেফতার করা হয় আসাদুজ্জামান নূরকে। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
এসএইচ/এমআই

