রোববার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ঢাকা

হাদি হত্যার আসামি ফয়সাল করিমের অস্ত্র মামলার রায় ৯ এপ্রিল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৮ পিএম

শেয়ার করুন:

হাদি হত্যার আসামি ফয়সালের বিরুদ্ধে রায় ৯ এপ্রিল
হাদি হত্যার আসামি ফয়সাল ও তার সহযোগী আলমগীর শেখ। ছবি: ইন্টারনেট

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিমের বিরুদ্ধে আদাবর থানায় করা অস্ত্র মামলার রায় ঘোষণা করা হবে ৯ এপ্রিল।

মামলাটির শুনানি শেষে রোববার (৫ এপ্রিল) ঢাকার একটি আদালত রায় ঘোষণার জন্য এই দিন ধার্য করেন।


বিজ্ঞাপন


জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ২৮ অক্টোবর ঢাকার আদাবরের বাইতুল আমান হাউজিং সোসাইটি এলাকায় ব্রিটিশ কলাম্বিয়া স্কুলের চতুর্থ তলায় অফিসে অস্ত্রের মুখে ১৭ লাখ টাকা লুটের ঘটনা ঘটেছিল। ওই ঘটনায় আদাবর থানায় একটি মামলা হয়েছিল। মামলাটির প্রধান আসামি ছিলেন ফয়সাল করিম।

মামলা হওয়ার কিছু দিন পর ৭ নভেম্বর আদাবর এলাকা থেকে ফয়সাল করিমকে গ্রেফতার করেছিল র‍্যাব। তখন তার কাছ থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, পাঁচটি গুলি, তিনটি মোবাইল ফোন ও পাঁচ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছিল।

ওই মামলায় ২০২৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট থেকে জামিন পান ফয়সাল করিম। জামিনের সময়সীমা বাড়াতে একই বছরের ১২ আগস্ট আবারও আবেদন করলে হাইকোর্ট নতুন করে তার এক বছরের জামিন মঞ্জুর করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়া ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামিও ফয়সাল করিম। সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরদিন গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টনের বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়েছিল।


বিজ্ঞাপন


এ ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে পল্টন থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা করেছিলেন। সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর শরিফ ওসমান বিন হাদি মারা যান। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।

ওসমান হাদিকে গুলিবর্ষণের পর পুলিশি তদন্তে নাম আসে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ফয়সাল করিমের। যে মোটরসাইকেলে এসে ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়েছিল, তাতে ফয়সাল ও আলমগীর ছিলেন বলে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান।

তবে ফয়সাল ও আলমগীর এই হত্যাকাণ্ডের পরপরই ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন বলে বাংলাদেশের কর্মকর্তারা তখন জানিয়েছিলেন। প্রায় তিন মাস পর ৮ মার্চ ফয়সাল ও আলমগীরকে পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রেফতারের খবর জানায় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্কফোর্স বা এসটিএফ। অনুপ্রবেশের অভিযোগে গ্রেফতারের পর পুলিশ দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১৪ দিনের জন্য রিমান্ডে নিয়েছিল।

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গত ২২ মার্চ ফয়সাল ও আলমগীরকে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বিধাননগর মহকুমা বিচার বিভাগীয় আদালতে হাজির করা হয়েছিল। সেদিন আদালত দুজনকে ১২ দিনের জন্য কারা হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন এবং ২ এপ্রিল আবার তাদের আদালতে হাজির করতে বলেন।

এম/এআরএম

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর