ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে ঢাকা-১০ ও কক্সবাজার-৪ আসনের ব্যালট ও রেজাল্ট শিট হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালত একই সঙ্গে মামলাগুলো শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন।
বিজ্ঞাপন
এর আগে ঢাকা-১০ আসনে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ এনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী জসিম উদ্দিন এবং কক্সবাজার-৪ আসনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগে জামায়াতের প্রার্থী নুর আহমেদ আনোয়ারী মামলা করেন।
ওই দিনের আগে, বুধবার (১১ মার্চ) হাইকোর্ট পাঁচটি আসনের ব্যালট ও রেজাল্ট শিট হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয়। একই দিনে নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগে জামায়াত ও বিএনপির আরও সাত প্রার্থী হাইকোর্টে মামলা করেন।
এর মধ্যে ঢাকা-১১ আসনের বিএনপির প্রার্থী এম এ কাইয়ুম, খুলনা-৫ আসনের জামায়াতের প্রার্থী মিয়া গোলাম পরওয়ার, বরগুনা-২ আসনের জামায়াতের প্রার্থী ডা. সুলতান আহমেদ, পিরোজপুর-২ আসনের জামায়াতের প্রার্থী শামীম সাঈদী, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের বিএনপি প্রার্থী শরিফুজ্জামান শরীফ, মাদারীপুর-১ আসনের বিএনপির প্রার্থী নাদিরা আক্তার এবং নীলফামারী-২ আসনের বিএনপি প্রার্থী শাহরিন ইসলাম মামলা করেছেন।
উল্লেখ্য, গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের (আরপিও) ৪৯ ধারা অনুযায়ী, নির্বাচনে কোনও ধরনের অনিয়ম বা কারচুপির বিরুদ্ধে হাইকোর্টে ‘নির্বাচনি আবেদন’ করা যায়। বর্তমানে বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক বেঞ্চ এসব অভিযোগের শুনানি করছেন। নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট আসনের ফলাফলের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত দেবেন।
বিজ্ঞাপন
এআর

