জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদার আপিল শুনানির উদ্যোগ নেবে দুদক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২ মে ২০২২, ০১:৪৩ পিএম
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদার আপিল শুনানির উদ্যোগ নেবে দুদক

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট্রের দুর্নীতির মামলায় ১০ বছরের সাজার বিরুদ্ধে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি) শুনানির উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানা গেছে। তবে কবে নাগাদ এ আপিলের শুনানি করা হবে সেটি সুনির্দিষ্টভাবে জানাননি দুদকের আইনজীবী।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদকের) আইনজীবী খুরশিদ আলম খান শুনানির উদ্যোগের বিষয়টি ঢাকা মেইলকে জানিয়েছেন।
 
তিনি বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দুদকের মামলায় সাজার বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেছেন। কিন্তু অনেকদিন হয়ে গেল তার আইনজীবীরা এ মামলার শুনানির জন্য কোনো উদ্যোগ নিচ্ছেন না। কিন্তু কেন নিচ্ছেন না, জানি না। আমরা চিন্তা করেছি এ মামলার লিভ টু আপিলের শুনানি করবো। তবে কবে নাগাদ এ আপিলের শুনানি করা হবে সেটি সুনির্দিষ্টভাবে জানাননি তিনি।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাষ্টের দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন বিচারিক আদালত। পাশাপাশি এ মামলার অন্য পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অরফানেজ ট্রাষ্টের নামে সরকারি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক আখতারুজ্জামান। একই মামলায় খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানসহ মামলার অপর পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি ছয় আসামির প্রত্যেককে ২ কোটি ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়। খালেদা জিয়া ছাড়া অপর আসামিরা হলেন সাবেক মুখ্যসচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, সাবেক সাংসদ ও ব্যবসায়ী কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ ও জিয়াউর রহমানের ভাগনে মমিনুর রহমান। এর মধ্যে পলাতক আছেন তারেক রহমান, কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমান।

ঢাকার বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে খালাস চেয়ে হাইকোর্টে আপিল করেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল এবং ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ। ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর  বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের  হাইকোর্ট বেঞ্চ খালেদার সাজা বাড়িয়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন। পরে হাইকোর্টের এ রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি) চেয়ে আবেদন করেন খালেদা জিয়া।

এআইএম/এএস