মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ঢাকা

হলি আর্টিজানে হামলা: সাতজনের মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৩, ১২:৪৭ পিএম

শেয়ার করুন:

হলি আর্টিজানে হামলা: সাতজনের মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড

রাজধানীর গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে আলোচিত জঙ্গি হামলা ও নৃশংস হত্যাযজ্ঞের মামলায় সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে শুনানি শেষে সোমবার (৩০ অক্টোবর) বিচারপতি সহিদুল করিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

আমৃত্যু কারাদণ্ড পাওয়া আসা‌মিরা হলেন- জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে রাজীব গান্ধী, আসলাম হোসেন ওরফে র‌্যাশ, আব্দুস সবুর খান, রাকিবুল হাসান রিগ্যান, হাদিসুর রহমান, শরিফুল ইসলাম ওরফে খালেদ ও মামুনুর রশিদ।

আরও পড়ুন

ছেলেসহ বাবুল চিশতীর ১২, স্ত্রীর ৫ বছরের কারাদণ্ড

সাত বছরেরও বেশি সময় আগে গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার মামলায় ২০১৯ সালে ৭ ডিসেম্বর ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে খালাস দেন। পরে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন দণ্ডপ্রাপ্তরা।

ফাঁসির দণ্ড পাওয়া সাত আসামিরা হলেন- রাকিবুল ইসলাম রিগ্যান ওরফে রাফিউল ইসলাম, রাজীব গান্ধী ওরফে জাহাঙ্গীর আলম, মোহাম্মদ আসলাম হোসেন ওরফে র‍্যাশ, আবদুস সবুর খান ওরফে সোহেল মাহফুজ, মোহাম্মদ হাদিসুর রহমান সাগর ওরফে সাগর, মামুনুর রশিদ রিপন, শরিফুল ইসলাম খালেদ। আর খালাস পেয়েছেন মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান।

২০১৬ সালের ১ জুলাই হলি আর্টিজান বেকারিতে ভয়ংকর জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটে। সেদিন ২০ জন দেশি-বিদেশি নাগরিককে হত্যা করেছিল তারা। নিহতদের মধ্যে নয়জন ইতালীয়, ৭ জন জাপানি, একজন ভারতীয় ও তিনজন বাংলাদেশি। পরদিন সকালে সেনা কমান্ডোদের অভিযানে পাঁচ হামলাকারী নিহত হন।

আরও পড়ুন

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে কানাডার দুই পুলিশ

২০১৮ সালের ২৬ নভেম্বর অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে মামলাটির বিচারকাজ শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষ এই হামলা মামলায় ১১৩ জন সাক্ষী হাজির করে। তাদের মধ্যে ছিলেন নিহত পুলিশ সদস্যদের স্বজন, হামলা প্রতিহত করতে গিয়ে আহত পুলিশ সদস্য, হলি আর্টিজান বেকারির মালিক ও কর্মী, জিম্মি হয়ে পড়া অতিথি এবং যেসব বাড়িতে আস্তানা গেড়ে নৃশংস এই হামলার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন, সেসব বাড়ির মালিকেরা।

এ ঘটনায় জড়িত জীবিত থাকা আট জঙ্গি কারাগারে আছেন।

এআইএম/এমআর

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর