শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ঢাকা

কক্সবাজারে নারীদের জন্য অনুষ্ঠিত হলো ‘জব ফেয়ার ২০২৬’

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৯ জুন ২০২৬, ১০:০৩ এএম

শেয়ার করুন:

কক্সবাজারে নারীদের জন্য অনুষ্ঠিত হলো ‘জব ফেয়ার ২০২৬’
কক্সবাজারে নারীদের জন্য আয়োজিত হলো ‘জব ফেয়ার ২০২৬’

দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে কিশোরী ও তরুণীদের স্বাবলম্বী করে তোলার লক্ষ্যে কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হয়েছে “জব ফেয়ার ২০২৬”। হোটেল সি প্যালেসে আয়োজিত এই মেলায় পর্যটন, রিটেইল, ব্যাংকিং, আইসিটি ও সেবা খাতসহ ২০টিরও বেশি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।

জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট ও ইউনিসেফ বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে এবং যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (FCDO)-এর অর্থায়নে পরিচালিত “স্বপ্নের সারথী—গার্লস এডুকেশন অ্যান্ড স্কিলস পার্টনারশিপ (GESP)” প্রকল্পের আওতায় এই আয়োজনটি করা হয়। উল্লেখ্য, এর আগে ১৬ জুন বান্দরবানে এই সিরিজের প্রথম জব ফেয়ার অনুষ্ঠিত হয়।


বিজ্ঞাপন


মেলায় বিডিজবস, সম্ভাব জবস, অনার, অপো ও স্বপ্ন সুপার শপসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্টলে সিভি জমা, সরাসরি সাক্ষাৎকার, ক্যারিয়ার পরামর্শ এবং ইন্টার্নশিপের সুযোগ ছিল।

কক্সবাজার পর্যটন ও সেবা খাতের কেন্দ্র হলেও, স্থানীয় নারীদের কর্মসংস্থানে দারিদ্র্য, বাল্যবিবাহ, যাতায়াত ব্যবস্থা ও দক্ষতার ঘাটতি বড় বাধা হিসেবে কাজ করে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় “স্বপ্নের সারথী” প্রকল্প কিশোরী ও তরুণীদের ডিজিটাল সক্ষমতা, নেতৃত্ব বিকাশ ও উদ্যোক্তা হওয়ার পথে প্রস্তুত করছে।

_PIC3974.JPG

জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. কামরুল ইসলাম এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, নারীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান শুধু তাদের নিজের নয়, পুরো সমাজের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি ফাহমিদা শবনাম জানান, প্রশিক্ষণ ও বাস্তব কর্মসংস্থানের সুযোগ সমন্বয় করেই টেকসই পরিবর্তন আনা সম্ভব।


বিজ্ঞাপন


জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের এজিএম কামরুল কিবরীয়া অয়ন বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু প্রশিক্ষণ নয়, বরং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারীদের জন্য বাস্তব কর্মসংস্থানের পথ তৈরি করা। আমরা চাই তারা নিজেরা স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে অন্যদের জন্যও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করুক।”

প্রকল্পটির আওতায় এখন পর্যন্ত ৪,১০০ জন তরুণীকে বাজারভিত্তিক বিভিন্ন দক্ষতায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মোবাইল প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ১,৩২০ জন এবং ‘পাসপোর্ট টু আর্নিং (P2E)’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ৫,৪০০ শিক্ষার্থী ডিজিটাল দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিষয়ক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছেন। আয়োজকদের মতে, এটি কেবল একটি চাকরির মেলা নয়, বরং তরুণীদের আত্মবিশ্বাস ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জনের একটি বড় অনুপ্রেরণা।

এজেড

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর