জমি বিতর্কে অমর্ত্য সেন ও বিশ্বভারতী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৫ জানুয়ারি ২০২৩, ০১:৩৩ পিএম
জমি বিতর্কে অমর্ত্য সেন ও বিশ্বভারতী

বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি নিয়ে বিতর্কে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। তার বিরুদ্ধে ফের জমি দখলের অভিযোগ তুলল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। অবিলম্বে সেই জমি ফিরিয়ে দেওয়ারও আবেদন জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। 

বিশ্বভারতীর অভিযোগ, বিশ্বভারতীর ১৩ ডেসিমেল জায়গা দখল করে রেখেছেন অমর্ত্য সেন। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের

বিশ্বভারতীর জমি নিয়ে অমর্ত্য সেন বিতর্কে জড়িয়েছেন বেশ কয়েক বছর আগে। তখন বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী নাম না করে অমর্ত্য সেনকে ‘জমি চোর’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন। তারপরে শুরু হয়েছিল জোর বিতর্ক। এর প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছিলেন বিশ্বভারতীর শিক্ষার্থীরা।

বিশ্বভারতীর কাছ থেকে কয়েকদিন আগেই চিঠি পেয়েছেন অমর্ত্য সেন। মঙ্গলবার সেই বিষয়টি প্রকাশে আসে। চিঠি পাওয়ার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন অমর্ত্য সেন। তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, তারা আমাকে চিঠি পাঠিয়েছে। এতে অনেকগুলো মিথ্যা বিবৃতি দেওয়া রয়েছে। এই ধরনের মিথ্যাচারের উত্তর দেওয়ার আগে, আমি পরীক্ষা করে দেখব যে তারা কীভাবে এই কথা বলছেন।’ 

প্রয়োজনে আইনি পদক্ষেপ নেবেন বলেও জানিয়েছেন অমর্ত্য সেন। তিনি বলেন, ‘যদি আইনজীবী মনে করেন যে এই মিথ্যা অভিযোগের জবাব দেওয়া দরকার, তাহলে আমি আইনের দ্বারস্থ হব।’

বিশ্বভারতীর পাঠানো চিঠিতে লেখা আছে, সমীক্ষায় পাওয়া গেছে বিশ্বভারতীর ১৩ ডেসিমেল জমি দখলে রেখেছেন অমর্ত্য সেন। বিশ্বভারতী সূত্রের দাবি, ১৯৪৩ সালে অমর্ত্য সেনের বাবা আশুতোষ সেনকে ১২৫ ডেসিমেল জমি ৯৯ বছরের জন্য লিজ দেওয়া হয়েছিল। এই জমিতেই গড়ে উঠেছে অমর্ত্যবাবুদের পারিবারিক বাড়ি ‘প্রতীচী’। 

২০০৬ সালে অমর্ত্য সেনের আবেদনের ভিত্তিতে জমির লিজ তার নামে হস্তান্তর করা হয়। বিশ্বভারতীর দাবি, জমির মাপ করে দেখা যায়, পাশাপাশি দু’টি লিজ দেওয়া জমির মধ্যবর্তী বিশ্বভারতীর নিজস্ব ১৩ ডেসিমেল জমিও ঢুকে রয়েছে ‘প্রতীচী’র সীমানার ভেতরে। ইতোমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকার জেলা প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

একে