ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রয়োজনে দেশটির অবশিষ্ট অংশও ধ্বংস করে দিতে হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত শিগগিরই জানা যাবে বলেও জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
গতকাল বৃহস্পতিবার (০৫ নভেম্বর) হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এসব কথা বলেন।
ট্রাম্প বলেন, এখন যুক্তরাষ্ট্রকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা আরও সামনে এগিয়ে গিয়ে সংঘাতের চূড়ান্ত পরিণতি নিশ্চিত করবে কি না। তার ভাষায়, এর উদ্দেশ্য হবে এমন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি বন্ধ করা, যাতে ভবিষ্যতে একই ধরনের সংকট আর তৈরি না হয়।
ইরানের বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরে ট্রাম্প বলেন, সম্ভব হলে দেশটির বাকি অংশ ধ্বংস করতে চান না তিনি। তবে পরিস্থিতির প্রয়োজনে এমন পদক্ষেপ নিতে হতে পারে। এ বিষয়ে খুব শিগগিরই বিস্তারিত জানা যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। তবে এখন পর্যন্ত দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাতের অবসানে কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি। ট্রাম্পের দাবি, যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ইরানের পুনর্গঠনে অন্তত ২৫ বছর সময় লাগতে পারে।
আরও পড়ুন:
এদিকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে তেহরান একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এ বিষয়ে সাংবাদিকেরা ট্রাম্পের কাছে জানতে চান, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কোনো আলোচনা চলছে কি না।
জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের অনুমোদন ছাড়া তারা কিছুই করতে পারবে না।’
তার এই বক্তব্যে ইরান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা, আনাদোলু এজেন্সি
/এএস




