ভারতের উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’। ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রভাগের প্রভাবে ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে তুমুল বৃষ্টি ও তীব্র দমকা হাওয়া শুরু হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড়টি তার নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে। ফলে বুধবার ভোররাত ২টা থেকে ৪টার মধ্যেই এটি স্থলভাগে আঘাত হানতে শুরু করে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ খবর জানিয়েছে।
আবহাওয়া বিভাগের সর্বশেষ পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টির বাইরের মেঘমালা (স্পাইরাল ব্যান্ড) ইতিমধ্যে ভূমিতে প্রবেশ করেছে এবং এর মূল অংশটি এখন মাটির সঙ্গে ঘর্ষণ তৈরি করছে। ঝড়টি অন্ধ্রপ্রদেশের বাপাতলা এবং বিশাখাপত্তনমের মধ্যবর্তী উপকূলীয় এলাকা অতিক্রম করবে। ভোর ৪টার পরও উপকূলজুড়ে তুমুল বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ আঘাত হানার আগেই বড় ধরনের প্রস্তুতি নেয় অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য রাজ্যে ২ হাজার ১৯৯টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপকূলীয় বাসিন্দাদের নিরাপদে থাকার এবং দুর্যোগ চলাকালে প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের না হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়া দফতরের সর্বশেষ বিশেষ বুলেটিনে জানানো হয়েছে, ‘অর্ণব’ এখন একটি ‘অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে’ (ভেরি সিভিয়ার সাইক্লোনিক স্টর্ম) রূপ নিয়েছে। ঝড়ের মূল কেন্দ্রস্থলটি এখন উপকূলরেখার অত্যন্ত কাছাকাছি পৌঁছে গেছে এবং এর উত্তর অংশের মেঘমালা (স্পাইরাল ব্যান্ড) স্থলভাগের আরও ভেতরে ঢুকে পড়েছে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী তিন ঘণ্টার মধ্যে ঝড়টি বাপাতলা এবং বিশাখাপত্তনমের মধ্যবর্তী উপকূলে পুরোপুরি আছড়ে পড়বে এবং এই আঘাত হানার প্রক্রিয়া পরবর্তী তিন ঘণ্টা ধরে চলবে।
এআরএম




