রোববার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ঢাকা

‘ভারতকে গৃহযুদ্ধে ঠেলে দিচ্ছে জ্ঞানেশ আর মোদি’! 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৭ পিএম

শেয়ার করুন:

‘ভারতকে গৃহযুদ্ধে ঠেলে দিচ্ছে জ্ঞানেশ আর মোদি’! 

ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) নেতৃবৃন্দের দাবি, প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পাশাপাশি সিজেপি-র নিশানায় আছেন ভারতের ‘স্বৈরাচারী’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও! 

সিজেপি বলছে, দেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। দেশের নাগরিকদের সঙ্গেই যুদ্ধে জড়াচ্ছে তারা। পুলিশি ধরপাকড় সত্ত্বেও রাস্তা না-ছাড়র বার্তাও দিয়েছেন সিজেপি নেতৃত্ব।

থানা থেকে মুক্তি পাওয়ার পর রোববার দিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলন করেন সিজেপি-র যুগ্ম আহ্বায়ক আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাস। 

সঙ্গে ছিলেন সিজেপি-র লিগ্যাল টিমের প্রধান রত্না সিংহ। শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) পুলিশ কীভাবে তাদের আটক করেছিল, তার বর্ণনা দেন তারা। সিজেপি নেতৃত্ব অবশ্য এটিকে আটক না-বলে ‘অপহরণ’ বলে অভিহিত করেছেন।

আশুতোষ অভিযোগ করেন, সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং সৌরভকে আটক করার সময় অমানবিকতার পরিচয় দেয় দিল্লি পুলিশ। 

দীপকে-র দাদীর মৃত্যুর খবরও অসংবেদনশীলতার সঙ্গে দেওয়া হয়। সৌরভ দাবি করেন, আটক করার পর তাদের তিনজনকে তিনটি আলাদা জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়।

ফোন কেড়ে নেয় পুলিশ। এমনকি আইনজীবীদের সঙ্গেও তাদের দেখা করতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ সৌরভ-আশুতোষদের। 

সৌরভের আশঙ্কা, পুলিশ তাদের ফোন পরীক্ষা করে দেখতে পারে এবং সেখানে এমন কিছু তথ্য ঢুকিয়ে দিতে পারে, যা পরে তাদের হেনস্থা করতে কাজে লাগাবে পুলিশ।

দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে সৌরভের অভিযোগ, আন্দোলনকারীদের ধরতে জুতো পরে গুরুদ্বারে ঢুকেছিল পুলিশ। এতে শিখদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করে সিজেপি।

শনিবারের ধরপাকড়কে ১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থার সঙ্গে তুলনা করেছে সিজেপি। আশুতোষ বলেন, “শনিবারের জরুরি অবস্থার সীমাও পেরিয়ে গিয়েছে বিজেপি সরকার। স্বাধীন ভারতে কখনও এইরকম পরিস্থিতি হয়নি।”

-এমএমএস

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর