রোববার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ঢাকা

শর্তসাপেক্ষে মুক্তি পেলেন অভিজিৎ দীপকে ও ধ্রুব রাঠি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৬ এএম

শেয়ার করুন:

শর্তসাপেক্ষে মুক্তি পেলেন অভিজিৎ দীপকে ও ধ্রুব রাঠি

আটকের ২৪ ঘণ্টা পর আজ রোববার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে দিল্লি পুলিশ অবশেষে ছেড়ে দিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে। সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছিল শনিবার।

অন্যদিকে, শনিবার সকালেই গুরুগ্রামের বাড়ি থেকে আটক করা হয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকেও। সারা রাত তাদের খোঁজ না পাওয়া গেলেও, আজ রোববার সকালে ধ্রুব রাঠিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। 

তবে তার মুক্তি শর্ত সাপেক্ষে দেওয়া হয়েছে। দিল্লির যন্তর মন্তরের ধারে-কাছেও যেতে পারবেন না জনপ্রিয় এই ইউটিউবার। তাহলেই তার বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেবে পুলিশ।

দিল্লি পুলিশ জানায়, শনিবার তারা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে প্রিভেনটিভ অ্যারেস্ট বা প্রতিরোধমূলক আটক করা হয়। রোববার সকালে তাদের এগজিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে পেশ করা হয়। ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশেই তাদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

জানা গিয়েছে, ককরোচ জনতা পার্টির আইনি প্রধান রত্না সিং-ও এগজিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে উপস্থিত ছিলেন।

এ দিন সকালে রত্না সিং এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে লেখেন, অভিজিৎ, আশুতোষ ও সৌরভকে আজ সকাল ৯টায় দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট পুলিশ স্টেশনে এগজিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে পেশ করা হবে। 

দিল্লি পুলিশের কর্মকর্তারা আমায় সকালে এই বিষয়ে জানিয়েছে। সিজেপির আইনি প্রধান হিসাবে আমিও আইনজীবীদের সঙ্গে থানায় উপস্থিত থাকব।

প্রসঙ্গত, শনিবার দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে যোগ দিতেই মুম্বাই থেকে দিল্লিতে আসেন সিজেপির তিন শীর্ষ নেতৃত্ব। তবে তাদের দিল্লির রাস্তায় পা রাখতেও দেওয়া হয়নি। তার আগেই বিমানের ভিতর থেকে পুলিশ অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক করা হয়। রোববার ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পেশ করার পর তাদের মুক্তি দেওয়া হল।

আইনজীবী বৃন্দা গ্রোভার সিজেপি নেতাদের প্রতিনিধিত্ব করেন। তাদের আটক করার যুক্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে।

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ডাকা বিক্ষোভ দমনে রাজধানী নয়াদিল্লিতে ব্যাপক ধরপাকড় চালিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত সাত হাজারের বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) পুলিশের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে যন্তর-মন্তরের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করেন বিক্ষোভকারীরা। তাদের ঠেকাতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তা জোরদার, সড়কে ব্যারিকেড এবং গণপরিবহনে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।

রোববারও যন্তর-মন্তরমুখী বিক্ষোভ মিছিল করার ঘোষণা দিয়েছে দলটি। শনিবারের সাড়াশিঁ অভিযানের পর রাজধানীতে নতুন করে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিক্ষোভকারীদের ঠেকাতে শনিবার দিনভর দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়।

-এমএমএস

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর