ব্রিক্সের আউটরিচ সেশনে আমন্ত্রণ পেয়েও দিল্লিতে যাননি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কোনো প্রতিনিধিও পাঠাননি। তিনি কবে দিল্লি সফরে যাবেন, সে বিষয়ে এখনও কিছু স্থির করেনি বাংলাদেশ।
এরই মধ্যে মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
সেখান থেকে বেরিয়ে ভারতীয় হাই কমিশনার জানান, তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে কোনও তাড়াহুড়ো নেই। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে যে দিল্লি আগে থেকেই আমন্ত্রণ জানিয়ে রেখেছে, তা-ও মনে করিয়ে দেন তিনি।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুনের সাম্প্রতিক কিছু মন্তব্য ঘিরে আলোচনা শুরু হয়েছে দু’দেশেই। সপ্তাহ দুয়েক আগেই তিনি দাবি করেন, ভারতের প্রসঙ্গে কোনো ‘মুগ্ধতা’ চায় না ঢাকা।
প্রতিবেশী দেশ হিসেবে যেমন ভালো দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বজায় থাকা দরকার, তেমনটাই চায় বাংলাদেশ।
নিজের দেশের সাংবাদিকদের প্রশ্নে বিরক্ত হয়ে বলেছিলেন, “খালি ইন্ডিয়া ইন্ডিয়া করলে নিজের দেশের কথা কখন ভাববেন।”
মঙ্গলবার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুনের সঙ্গে দেখা করেন দীনেশ। সৌজন্য সাক্ষাৎ সেরে সাংবাদিকদেরও মুখোমুখি হন তারা। সেখানে তারেক রহমানের দিল্লি সফরের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হয় ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে।
দীনেশ জানান, ভারত সফরের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আগে থেকেই আমন্ত্রণ জানানো আছে।
এই সফর নিয়ে তাড়াহুড়ার কোনও দরকার নেই বলেই মনে করেন দীনেশ। সবকিছুই ইতিবাচক আছে, যখন সময় হবে, তখনই তিনি দিল্লি যাবেন।
তারেক রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়ে আশাবাদী দীনেশ বলেন, “আমার এই আত্মবিশ্বাস আছে, যখন দুই প্রধানমন্ত্রী মনে করবেন যে সুবিধাজনক সময় হয়েছে, তখন সফরটি হবে।”
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতের আশ্রয়ে রয়েছেন। গত ৫ অগস্ট দিল্লিতে একটি ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলন করেন তিনি।
তা নিয়ে নতুন করে টানাপড়েন শুরু হয় দিল্লি এবং ঢাকার। এরই মধ্যে ব্রিক্স আউটরিচ সেশনের জন্য তারক রহমানকে আমন্ত্রণ জানায় ভারত। কিন্তু তারেক রহমানতে যথাযথ ভাবে আমন্ত্রণ না জানানোয় কোনো প্রতিনিধি সে সময়ে দিল্লি যাননি।
কারণ তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমন্ত্রণ করা হয়নি। সাত দেশের জোট ‘বিম্সটেক’-এর চেয়ারম্যান হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল তাকে।
-এমএমএস




