নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ (সিজিআই) বার্ষিক সভায় সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এবং সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
দুই দিনব্যাপী (২২-২৩ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত সিজিআই বার্ষিক সভায় দায়িত্বশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা, গণতন্ত্র, মানবিক কার্যক্রম, স্বাস্থ্য সমতা, তথ্যের অখণ্ডতা ও নারী সমতা বিষয়ে আলোচনায় যোগ দিয়েছেন বিশ্বনেতারা।
প্রসঙ্গত, অধ্যাপক ইউনূসের ক্ষুদ্রঋণ ধারণার শুরুর দিকের সমর্থকদের একজন ছিলেন বিল ক্লিনটন। আরকানসাসের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় (১৯৭৯–১৯৮১ এবং ১৯৮৩–১৯৯২) তিনি অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে কাজ করেন। সে সময় আরকানসাসে গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণ মডেল কীভাবে প্রয়োগ করা যায়, তা নিয়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণ কর্মসূচি গড়ে তোলার কাজ এগিয়ে যায়।
ক্ষুদ্রঋণের অন্যতম প্রবক্তা হিসেবে হিলারি ক্লিনটনের নামও উল্লেখ করা হয়। নারীর ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক সুযোগ সম্প্রসারণ এবং দারিদ্র্য মোকাবিলায় ক্ষুদ্রঋণের ভূমিকার কথা তিনি বিভিন্ন সময়ে তুলে ধরেছেন।
১৯৯৫ সালে মেয়ে চেলসিকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ সফরে এসে গ্রামীণ ব্যাংক পরিদর্শন করেছিলেন হিলারি ক্লিনটন। ওই সময় তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম এবং এর মাধ্যমে নারী ও তাদের পরিবারের ওপর তৈরি হওয়া প্রভাব সম্পর্কে ধারণা নেন।
এদিকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক সফর করছেন ড. ইউনূস। অধিবেশনের ফাঁকে নিউইয়র্কে বিশ্বনেতা, নীতিনির্ধারক এবং আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বদের নিয়ে আয়োজিত একাধিক পার্শ্ব অনুষ্ঠান ও বৈঠকের পাশাপাশি বিভিন্ন কর্মসূচিগুলোতে অংশ নিচ্ছেন।
এছাড়াও কেনিয়ার ফার্স্ট লেডি র্যাচেল রুটো, ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাতিসংঘের বিশেষ দূত গর্ডন ব্রাউন, ব্রাজিলের উন্নয়ন ও সামাজিক সহায়তা, পরিবার এবং ক্ষুধা নিবারণ মন্ত্রী ওয়েলিংটন দিয়াসের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন ড. ইউনূস।
এমএইচআর




