রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

৯/১১-র আগে ভারতও ছিল লাদেনের নিশানায়! 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩৬ পিএম

শেয়ার করুন:

৯/১১-র আগে ভারতও ছিল লাদেনের নিশানায়! 

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আমেরিকার নিউইয়র্ক সিটিতে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের টুইন টাওয়ারে 'আল কায়েদা'র হামলা বিশ্বের ইতিহাসে কুখ্যাত হয়ে আছে। 

কিন্তু তার আগেও একাধিক দেশে হামলার পরিকল্পনা করেছিল এই জঙ্গি সংগঠনটি। তার তৎকালীন প্রধান ওসামা বিন লাদেন নিশানায় রেখেছিলেন ভারতকেও। 

সম্প্রতি আমেরিকার একটি গোয়েন্দা রিপোর্টে তেমনটাই দাবি করা হয়েছে। ভারতের সঙ্গে রিপোর্টে আরও সাত দেশের নাম উল্লেখ করেছে আমেরিকার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ।

৯/১১-র ঘটনার ২৫ বছর পূর্ণ হয় গত শুক্রবার। সেই উপলক্ষে সিআইএ লাদেন সম্পর্কিত ৭০টিরও বেশি গোয়েন্দা তথ্য প্রকাশ করেছে। 

তার মধ্যে ১৯৯৮ সালের ২৮ অগস্টের একটি নথিতে দেখা গিয়েছে ভারতের নাম। ওই গোয়েন্দা রিপোর্টে দাবি, ভারত ছাড়াও পাকিস্তান, মিশর, কুয়েত, সৌদি আরব, ইয়েমেন, উগান্ডা এবং ‘সম্ভবত’ নাইজেরিয়ায় আল কায়েদা হামলার পরিকল্পনা করেছিল। 

যদিও এই সব নথির সংবেদনশীল অংশ বিবেচনার ভিত্তিতে গোপনই রাখা হয়েছে। সিআইএ প্রকাশিত রিপোর্টটির শিরোনাম— ‘বিন লাদেনের সন্ত্রাসবাদী নেটওয়ার্ক এখনও উদ্বেগের’। 

কোন সূত্র থেকে এই সব তথ্য পেয়েছেন মার্কিন গোয়েন্দারা, তা প্রকাশ করা হয়নি। ভারতে হামলার পরিকল্পনার কথা বলা হলেও মার্কিন রিপোর্টে বিশদে তা নিয়ে কিছু বলা হয়নি। 

ভারতের ঠিক কোন জায়গা, কোন শহরকে লাদেন নিশানা করেছিলেন, কোন সময়ে কী ভাবে হামলার পরিকল্পনা ছিল জানা যায়নি। 

রিপোর্টে বলা হয়েছে, উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ এবং পূর্ব এশিয়ায় লাদেনের নেটওয়ার্ক বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে, এই সব অঞ্চলে আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত যে কোনও কাঠামোকে নিশানা করা হতে পারে। 

আমেরিকাতেও আবার হামলার পরিকল্পনা করছিলেন লাদেন, দাবি করা হয়েছে ওই রিপোর্টে। লাদেনের নেটওয়ার্ক অন্তত ৬০টি দেশে ছড়িয়ে ছিল।

রিপোর্টে আরও দাবি, ১৯৯৮ থেকে ২০০১ সালের মধ্যে সিআইএ একাধিক বার আমেরিকার তৎকালীন প্রেসিডেন্টদের দেশে সম্ভাব্য জঙ্গি হামলা নিয়ে সতর্ক করেছিল। সতর্কবার্তা গিয়েছিল বিল ক্লিন্টন, জর্জ বুশদের কাছে।

৯/১১-র দিন আল কায়েদার ১৯ জন জঙ্গি আমেরিকায় চারটি বিমান ছিনতাই করেছিল। তার মধ্যে দু’টি বিমান টুইন টাওয়ারে গিয়ে ধাক্কা মারে। 

দু’টি টাওয়ারই ধূলিসাৎ হয়ে যায়। এ ছাড়া, তৃতীয় বিমানটি পেন্টাগনে ধাক্কা মারে। চতুর্থ বিমানটি ভেঙে পড়ে পেনসিলভেনিয়ায়। 

ওই ঘটনায় আমেরিকায় সরকারি হিসাবে প্রায় তিন হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

-এমএমএস

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর