নেপাল-চীন (তিব্বত) সীমান্তে আঘাত হানা বিধ্বংসী আকস্মিক বন্যায় ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস ও রানি ক্যামিলা।
বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ রাজপরিবারের অফিশিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে প্রকাশিত এক লিখিত বার্তায় ভয়াবহ দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করেন তারা।
ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস বলেছেন, নেপালের ‘ধ্বংসাত্মক’ আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য তিনি এবং রানি ক্যামিলা ‘মর্মাহত’ এবং তাদের প্রতি ‘গভীরতম সমবেদনা’ জানাচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘যুক্তরাজ্যের বহু মানুষের এই অঞ্চলের সঙ্গে দৃঢ়, গভীর এবং ব্যক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে। যারা এত মর্মান্তিকভাবে তাদের প্রিয়জনদের হারিয়েছেন, তাদের সবার প্রতি আমরা আমাদের গভীরতম সমবেদনা জানাই। আর বন্ধু ও স্বজনদের খবরের অপেক্ষায় উদ্বিগ্ন অসংখ্য পরিবারের জন্য আমরা গভীরভাবে সহমর্মিতা অনুভব করছি।’
রাজা চার্লস অন্যদের সেবায় সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রাণ হারানো “পুলিশ ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের” প্রতিও শ্রদ্ধা জানান।
তিনি আরও যোগ করেন, ‘সব সময়ের মতো, যুক্তরাজ্য প্রয়োজনে থাকা মানুষদের সহায়তায় প্রস্তুত রয়েছে।’
এদিকে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে নেপালের জন্য ৫ মিলিয়ন পাউন্ডের জরুরি সহায়তা তহবিল ও উদ্ধারকারী দল পাঠানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, তিব্বত সীমান্তবর্তী নেপালের রাসুয়া জেলা ও আশপাশের অঞ্চলে বরফ ও মাটির ধসে সৃষ্ট এই আকস্মিক বন্যায় ইতিমধ্যে ৩৫১ মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং দেশি-বিদেশি পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দাসহ প্রায় ১৫০০ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
সূত্র: বিবিসি
এমএইচআর




