মধ্যপ্রাচ্যে একটি ‘নতুন আঞ্চলিক ব্যবস্থার’ সূচনা হয়েছে, যার ফলে বিদেশি পরাশক্তিগুলো এই অঞ্চলে তাদের প্রভাব দ্রুত হারাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।
সামাজিক মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন এই অঞ্চল থেকে একটি সম্মানজনক প্রস্থানের পথ খুঁজছে। খবর আল-জাজিরার।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) কুদস ফোর্সের সাবেক প্রধান কাসেম সোলেইমানি এবং ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসের জ্যেষ্ঠ কমান্ডার আবু মাহদি আল-মুহান্দিসের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি লেখেন, বর্তমান পরিস্থিতি তাদের আত্মত্যাগ ও পবিত্র রক্তের ফসল। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে ইরাকের বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে মার্কিন ড্রোন হামলায় তারা দুজনই নিহত হন।
বাঘের গালিবাফ উল্লেখ করেন, এই নতুন আঞ্চলিক বাস্তবতায় দেশগুলোর পারস্পরিক সম্পর্কে বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে। পাশাপাশি ইসরায়েলের ‘নদী থেকে সাগর পর্যন্ত’ আধিপত্য বিস্তারের যে পরিকল্পনা ছিল, তা এখন শুধুই অলীক কল্পনায় পরিণত হয়েছে।
অন্যদিকে, ইরানের সঙ্গে পাঁচ মাসের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের মধ্যেই নতুন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানকে আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করতে বড় ধরনের অর্থনৈতিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন এই মার্কিন প্রেসিডেন্ট। একইসঙ্গে তেহরানকে সহায়তা করা দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলোকেও কঠোর অর্থনৈতিক পরিণতির মুখে পড়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
স্থানীয় সময় বুধবার (১৯ আগস্ট) নিজের সামাজিক মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, কোনো দেশের বিরুদ্ধে নেওয়া এযাবৎকালের সবচেয়ে কঠোর অর্থনৈতিক অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। তার ভাষায়, এটি হবে নজিরবিহীন মাত্রার ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধ ও বিচ্ছিন্নতা’।
এমএমএস




