সিরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সরকারের গোপন পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়ে তদন্ত করার সুযোগ পেয়েছে জাতিসংঘ।
সিরিয়ার বর্তমান সরকার জানায়, তারা জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে। খবর আল-জাজিরার।
রাজধানী দামেস্কের একটি অপ্রকাশিত স্থানে কয়েক টন পারমাণবিক পদার্থের সন্ধান পাওয়ার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সিরিয়ার বর্তমান প্রশাসন গত মাসেই স্বপ্রণোদিত হয়ে এই স্থানের তথ্য আইএইএকে জানায়।
দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি জানান, উদ্ধার হওয়া উপাদানগুলো বিপজ্জনক নয় এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিশ্চয়তার অধীনে এগুলো সিরিয়ার হেফাজতেই রাখা হবে।
২০২৪ সালের শেষের দিকে আসাদ সরকারের পতনের পর বর্তমান সিরীয় কর্তৃপক্ষ আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেয়।
এই সমঝোতার অংশ হিসেবে পরিদর্শকদের একটি দল দেইর এয-জোরসহ নতুন শনাক্ত হওয়া স্থানটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছে। আইএইএ প্রধান রাফায়েল গ্রোসি সিরিয়া সরকারের এই সাহসী পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, উদ্ধার হওয়া বিপুল পারমাণবিক উপাদান যাতে কোনো অপব্যবহারের শিকার না হয়, সেজন্য এগুলোকে আন্তর্জাতিক নজরদারির আওতায় রাখা হবে। সিরিয়ার কাছে বর্তমানে সক্রিয় কোনো পরমাণু অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা নেই বলেই মনে করা হয়। তবে ২০০৭ সালে দেইর এয-জোরের একটি সন্দেহভাজন পারমাণবিক চুল্লিতে হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েল।
বাশার আল আসাদ আমলের সেই বিতর্কিত পারমাণবিক কার্যক্রমের অধ্যায় খতিয়ে দেখতেই এখন আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের কাজ করতে দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট ও ইসরায়েলের তাবেদার সিরিয়ার নতুন প্রশাসন।
এমএমএস




