বেলজিয়ামে একটি নর্দমা সংস্কারের কাজ করার সময় প্রায় ৯ মিলিয়ন ইউরো (প্রায় ১১৭ কোটি টাকা) মূল্যের বিপুল পরিমাণ সোনার বার, দুর্লভ মুদ্রা ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী পাওয়া গেছে।
ব্রাসেলসের প্রায় ৩০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সিন্ট-গিলিস-ডেন্ডারমন্ডে নর্দমার পাইপ বদলানোর কাজে অস্থায়ী গ্রীষ্মকালীন শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন ১৮ বছর বয়সি শিক্ষার্থী কোবে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) মাটি খোঁড়ার সময় তিনি এই গুপ্তধনটি আবিষ্কার করেন। কোবে জানান, প্রথমে মাটির মধ্যে কিছু দেখতে পেয়ে তিনি ভেবেছিলেন সেগুলো সম্ভবত এক ইউরোর কয়েন।
পরে একটি সোনার বার দেখতে পান এবং বুঝতে পারেন যে সেখানে আরও বেশি কিছু রয়েছে।
উদ্ধার হওয়া সম্পদের মধ্যে ছিল সোনার কয়েন, সোনার টুকরো এবং সোনার বার। মূল্যবান সামগ্রীগুলো একটি ব্যাগে ভরে পুরোনো প্রাসাদের দেয়ালের ইটের কাঠামোর ভেতরে লুকিয়ে রাখা ছিল।
প্রাসাদটি ১৯ শতকের শেষদিকে নির্মিত হয়েছিল। আবিষ্কারের পরপরই কর্তৃপক্ষ স্থানটি নিরাপদ করে এবং সব মূল্যবান সামগ্রী ব্রাসেলসের একটি নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায়।
এখন তদন্তকারীরা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন—এই গুপ্তধনের উৎস কী এবং আইনগত মালিক কে?
বেলজিয়ামের আইন অনুযায়ী, কেউ কোনো গুপ্তধন খুঁজে পেলে মূল মালিক বা তার বৈধ উত্তরাধিকারীরা দাবি করার সুযোগ পাওয়ার জন্য অন্তত পাঁচ বছর অপেক্ষা করতে হয়।
কোবে বলেন, এত বড় গুপ্তধন পাওয়ার পর সেটি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করাই সঠিক বলে শ্রমিকরা জানতেন। তবে তিনি আশা করছেন, এই আবিষ্কারের জন্য তিনি পুরস্কারও পেতে পারেন।
-এমএমএস




