আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে স্বাক্ষরিত যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে মিসরও যোগ দেবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এ চুক্তি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা আনতে সহায়ক হবে বলে মনে করেন তিনি।
শুক্রবার সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান যুদ্ধ এরই মধ্যে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোকে জড়িয়ে ফেলেছে। এতে হরমুজ প্রণালী ও লোহিত সাগরে নৌ চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে।
চলমান যুদ্ধ ইরান ও ইয়েমেনের হুথি মিত্রদের আরও সক্রিয় করে তুলেছে। তারা সৌদি আরবে হামলা চালিয়েছে। গত মাসে একটি ড্রোন মিসরের ভূমধ্যসাগরীয় একটি বন্দরে থাকা মার্কিন সম্পদে আঘাত হানে।
আরও পড়ুন: প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করল সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্ক
রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলুকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হাকান ফিদান বলেন, তিনি আশা করছেন মিসর ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’-তে যোগ দেবে। তিনি মিসরকে ‘সব বিষয়ে স্বাভাবিক অংশীদার’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
ফিদান বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, পরবর্তী ধাপে মিসরও আমাদের সঙ্গে থাকবে। আমরা ইতোমধ্যে একে অপরের সঙ্গে এমনভাবে কাজ করছি, যেন আমরা জোটের সদস্য।’
মিসরের যোগদানের ক্ষেত্রে কিছু কারিগরি বিষয় রয়েছে বলেও জানান তিনি। এসব বিষয় বাস্তবায়িত হলে মিসরের যোগদানে কোনো বাধা থাকবে না বলে উল্লেখ করেন ফিদান।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের প্রতিরক্ষা জোটের কমান্ডার নিয়োগ দিল সৌদি
তিনি আরও বলেন, এ চুক্তি কোনো নির্দিষ্ট দেশকে লক্ষ্য করে করা হয়নি। এতে কোনো সাধারণ হুমকির কথাও লিখিতভাবে উল্লেখ করা হয়নি।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শুক্রবার জানায়, চুক্তি অনুযায়ী কোনো সদস্যের ওপর হামলা হলে তা সব সদস্যের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য হবে। এর লক্ষ্য হলো ‘সমষ্টিগত প্রতিরোধ শক্তিশালী করা’।
ফিদান বলেন, এ চুক্তি ‘এই অঞ্চলে স্থায়ী স্থিতিশীলতা আনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’। ভবিষ্যতে জোটের সদস্যসংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।




