সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

ভারতের শিক্ষামন্ত্রী কি আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করছেন?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৫ পিএম

শেয়ার করুন:

ভারতের শিক্ষামন্ত্রী কি আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করছেন?
ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান / ছবি: ইটিভি

দিল্লির যন্তর মন্তরে তুমুল বিক্ষোভ ও ধরপাকড়ের প্রভাবে ভারতের কেন্দ্রীয় রাজনীতি এখন টালমাটাল। দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বৈঠক করছেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের সঙ্গে। পার্লামেন্ট ভবনের ভেতরেই তাদের এই বৈঠক চলছে।

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ‘নিট’-এর প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে ভারতের রাজধানীতে আন্দোলন ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। আন্দোলনের তীব্রতায় অস্বস্তি বাড়ছে সরকারের উচ্চপর্যায়ে। এর মধ্যেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীর বৈঠকে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে কি আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী?

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে এই আন্দোলনের ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। যন্তর মন্তরে শুরু হওয়া এই আন্দোলন ক্রমান্বয়ে ছড়িয়ে পড়েছে দিল্লির বিভিন্ন রাস্তায়। পুলিশের লাঠিচার্জ আর জলকামান উপেক্ষা করেই রাজপথে দাঁড়িয়ে আছেন হাজারো মানুষ। পুলিশের কঠোর পদক্ষেপের মুখেও পিছু হটতে নারাজ বিক্ষোভকারীরা।

আন্দোলনের ২১তম দিনে গত ১৮ জুলাই অনশনরত অবস্থায় বিশিষ্ট অধিকারকর্মী সোনম ওয়াংচুককে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। বর্তমানে তিনি দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এর পরই আন্দোলনকারীরা ভারতের পার্লামেন্ট অভিমুখে লং মার্চের ডাক দেন।

পার্লামেন্ট ঘিরে তুমুল উত্তেজনা

সোমবার (২০ জুলাই) ভারতের পার্লামেন্টে বর্ষাকালীন অধিবেশন শুরুর দিনে লং মার্চের উদ্দেশ্যে যন্তর মন্তরে হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও অ্যাক্টিভিস্ট একত্রিত হন। আন্দোলনকারীদের পদযাত্রা রুখতে পুরো এলাকা ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলে দিল্লি পুলিশ। মোতায়েন করা হয় শত শত নিরাপত্তা কর্মী।

সকালে সেন্ট্রাল দিল্লির বিক্ষোভস্থল থেকে মিছিল নিয়ে তারা পার্লামেন্টের দিকে এগোতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। বেশ কিছু স্থানে বসানো নিরাপত্তা ব্যারিকেড ভেঙে ফেলার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে তীব্র ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এতে বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী ও পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মধ্য দিল্লির বেশ কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশের তীব্র লাঠিচার্জের খবর পাওয়া গেলেও দিল্লি পুলিশ তা অস্বীকার করেছে।

এক বিবৃতিতে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি পেশাদারত্বের সঙ্গে সামাল দেওয়া হচ্ছে। কোনো ধরনের গুজবে কান না দেওয়ার জন্য সাধারণ জনগণকে অনুরোধ জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

সূত্র: দ্য প্রিন্ট

এফএ

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর