শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

বেলুচিস্তান সংঘাতের নেপথ্যে কী?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৭:২২ পিএম

শেয়ার করুন:

বেলুচিস্তান সংঘাতের নেপথ্য কী?

পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত বেলুচিস্তান প্রদেশ দেশটির ভৌগোলিক ও কৌশলগত কাঠামোর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আয়তনের দিক থেকে এটি পাকিস্তানের সর্ববৃহৎ প্রদেশ (প্রায় ৪৪ শতাংশ) হলেও সেখানে দেশের মোট জনসংখ্যার মাত্র ৫ থেকে ৬ শতাংশ মানুষ বসবাস করে। একইসঙ্গে বেলুচিস্তান সবচেয়ে বেশি প্রাকৃতিক সম্পদ সরবরাহকারী প্রদেশ হলেও এটি পাকিস্তানের সবচেয়ে দরিদ্র ও অনগ্রসর অঞ্চল। এ নিয়ে বিগত কয়েক দশক ধরে অঞ্চলটি রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সশস্ত্র সংঘাতের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। 

পাকিস্তান সরকার এই সংকটকে মূলত একটি জাতীয় নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ, ভূ-রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র এবং বিদেশি শক্তির সহায়তায় পরিচালিত রাষ্ট্রবিরোধী নাশকতা হিসেবে দেখে। 

এরমধ্যেই সম্প্রতি বেলুচিস্তান স্বাধীনতা ঘোষণা করেছে বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা শুরু হয়, যার বেশিরভাগই ভারতীয় একাউন্ট থেকে পোষ্ট করা হয়। তবে পাকিস্তান বা ভারতের মূল ধারার কোনো গণমাধ্যমে এ দাবির বিষয়ে কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।  

এই প্রতিবেদনে পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় ও কৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকে বেলুচ জাতির ইতিহাস, সংকটের বিবর্তন এবং সাম্প্রতিক ঘটনাবলির একটি বিস্তারিত রূপরেখা উপস্থাপন করা হলো।

বেলুচ জাতির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্তি

 

বেলুচ জাতির একটি নিজস্ব এবং সমৃদ্ধ যাযাবর ও উপজাতীয় ইতিহাস রয়েছে। ঐতিহাসিকভাবে বেলুচিস্তান কোনো একক রাজ্য ছিল না; বরং এটি বেশ কয়েকটি স্বায়ত্তশাসিত দেশীয় অঞ্চল— কালাত, মাকরান, লাস বেলা ও খারান নামে বিভক্ত ছিল। 

১৯৪৭ সালের দেশভাগ ও কালাতের অন্তর্ভুক্তি: ১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্তির সময় কালাতের খান মীর আহমেদ ইয়ার খান প্রথমে পাকিস্তানের সঙ্গে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে কিছুটা দ্বিধাদ্বন্দ্বে ছিলেন। তবে ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং মুসলিম লীগ নেতৃত্বের আলোচনার পর, ১৯৪৮ সালের ২৭ মার্চ কালাত রাজ্য আনুষ্ঠানিকভাবে পাকিস্তানের সঙ্গে অন্তর্ভুক্তির দলিলে স্বাক্ষর করে। 

পাকিস্তান সরকারের ঐতিহাসিক নথিপত্র অনুযায়ী, এই অন্তর্ভুক্তি ছিল সম্পূর্ণ আইনি এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার অংশ। কিন্তু কিছু উগ্র জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠী ও উপজাতীয় প্রধান (যেমন যুবরাজ আবদুল করিম) শুরু থেকেই একে 'জোরপূর্বক অন্তর্ভুক্তি' হিসেবে প্রচার করে সশস্ত্র বিদ্রোহের পথ বেছে নেন, যা পাকিস্তানের সার্বভৌমত্বের ওপর প্রথম আঘাত ছিল। 

উপজাতীয় ক্ষোভ থেকে আধুনিক বিচ্ছিন্নতাবাদ

পাকিস্তানের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বেলুচিস্তানের সংকটটি সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়েছে। অতীতে এটি ছিল মূলত কিছু নির্দিষ্ট গোত্রপ্রধান বা ‘নবাব-সর্দারদের’ নিজস্ব ক্ষমতা ও স্বায়ত্তশাসন ধরে রাখার লড়াই। কিন্তু একবিংশ শতাব্দীতে এসে এটি একটি সুসংগঠিত এবং চরমপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে রূপ নিয়েছে।

সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর উত্থান

বর্তমানে বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি (বিএলএ), বেলুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্ট (বিএলএফ) এবং অন্যান্য নিষিদ্ধ সংগঠনগুলো পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী, বেসামরিক নাগরিক এবং অর্থনৈতিক প্রকল্পের ওপর চোরাগোপ্তা হামলা ও আত্মঘাতী বোমা হামলা চালিয়ে আসছে। 

এরমধ্যে ১৯৭৩ সালের দিকে জুলফিকার আলী ভুট্টোর শাসনামলে স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হিসেবে উত্থান হয় বেলুচ লিবারেশন আর্মির (বিএলএ)। তবে ১৯৭৭ সালে সামরিক শাসক জেনারেল জিয়া-উল-হকের আমলে জাতীয়তাবাদী নেতাদের সাথে চুক্তির পর সংগঠনটি মূলত নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে।

পরবর্তীতে তৎকালীন সামরিক শাসক পারভেজ মোশাররফের শাসনামলে সংগঠনটি বেলুচিস্তানের স্বাধিকার, সম্পদ ও স্বাধীনতার দাবিতে ২০০০-এর দশকের শুরুতে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।

বাস্তবে ২০০৬ সালের পর সংগঠনটি ক্রমেই আরও সহিংস হয়ে ওঠে, যখন পারভেজ মোশাররফ একটি অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেন, যার ফলে প্রভাবশালী বেলুচ গোত্রনেতা আকবর বুগতি নিহত হন। 

মোশাররফ বেলুচ গোত্রনেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন যে তারা 'বেলুচিস্তানের অগ্রগতি ব্যাহত করছেন' এবং 'প্রদেশের জন্য বরাদ্দ রাষ্ট্রীয় তহবিল আত্মসাৎ করছেন'। 

তবে বিএলএ-এর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সরকার বেলুচিস্তানের সম্পদ লুটে নিয়ে পাঞ্জাবসহ অন্যান্য প্রদেশ উন্নত করছে, অথচ স্থানীয় মানুষ মৌলিক সুবিধা (শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিশুদ্ধ পানি) থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

এদিকে ২০১১ সালের পর থেকে বিএলএ তাদের প্রভাববলয় বিস্তৃত করতে শুরু করে এবং প্রদেশের বাইরের গণমাধ্যমের নজরেও আসতে থাকে, বিশেষ করে আত্মঘাতী হামলা কৌশল গ্রহণের পর, যা একসময় ইসলামপন্থী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর ক্ষেত্রেই সীমিত ছিল।

বর্তমানে বিএলএ রাষ্ট্রবিরোধী বেলুচ সশস্ত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে অন্যতম বৃহৎ ও সবচেয়ে ভয়ংকর এবং একইসঙ্গে সবচেয়ে সম্পদশালী। তাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম 'বেলুচিস্তান' রাষ্ট্র গঠন করা। একই সঙ্গে বেলুচিস্তানের মাটি থেকে উৎপাদিত গ্যাস, কয়লা, সোনা এবং তামা সহ সমস্ত প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর সম্পূর্ণ স্থানীয় অধিকার ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা।

পাকিস্তানের দৃষ্টিকোণে সংকট সৃষ্টির মূল কারণগুলো কী?

পাকিস্তানের সরকার ও সামরিক নেতৃত্ব বেলুচিস্তান সংকটের পেছনে অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক ত্রুটির চেয়ে বহিরাগত ও কৌশলগত কারণগুলোকে বেশি দায়ী করে।

ভারতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

পাকিস্তান সরকারের সবচেয়ে বড় অভিযোগ হলো, বেলুচিস্তানের বিচ্ছিন্নতাবাদ স্বতঃস্ফূর্ত কোনো আন্দোলন নয়; বরং এটি প্রতিবেশী দেশগুলোর মদদপুষ্ট একটি 'প্রক্সি ওয়ার' বা ছায়াযুদ্ধ। 
পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দাবি, ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা 'র' আফগানিস্তান ও ইরানের সীমান্তকে ব্যবহার করে বিএলএ (বিএলএ)-সহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে অর্থ, আধুনিক অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ সরবরাহ করছে। 

২০১৬ সালে বেলুচিস্তান থেকে ভারতীয় নৌবাহিনীর কর্মকর্তা কুলভূষণ যাদবকে গ্রেফতার করার ঘটনাটিকে পাকিস্তান তাদের এই দাবির সবচেয়ে বড় প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করে।

এই অভিযোগের ভিত্তিতেই বিএলএ ও অন্যান্য গোষ্ঠীগুলোকে ‘ফিতনা-আল-হিন্দুস্তান’ শব্দটি ব্যবহার করে পাকিস্তান সরকার। 

অর্থনৈতিক উন্নয়ন নস্যাতের চেষ্টা 

বেলুচিস্তানে চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর (সিপিইসি) এবং গোয়াদর গভীর সমুদ্র বন্দর গড়ে ওঠার পর থেকে প্রদেশটির কৌশলগত গুরুত্ব বহুগুণ বেড়ে গেছে। পাকিস্তান সরকার এই প্রকল্পগুলোকে বেলুচিস্তানের দারিদ্র্য বিমোচন ও কর্মসংস্থানের মূল চাবিকাঠি মনে করে।

কিন্তু পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ব্যাহত করার জন্য বিএলএ এবং তাদের সহযোগীরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে চীনা প্রকৌশলী, বিনিয়োগকারী এবং অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে, যাতে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা পাকিস্তান থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় বলে অভিযোগ ইসলামাবাদের। 

সর্দারী প্রথা ও স্থানীয় নেতৃত্বের ব্যর্থতা

ইসলামাবাদের মতে, বেলুচিস্তানের সাধারণ মানুষের অনগ্রসরতার জন্য দায়ী সেখানকার ঐতিহ্যবাহী 'সর্দারী প্রথা'। স্থানীয় সর্দাররা চান না যে সাধারণ জনগণ শিক্ষিত হোক বা আধুনিক সুযোগ-সুবিধা পাক, কারণ এতে তাদের কয়েকশ বছরের পারিবারিক শাসন ও নিয়ন্ত্রণ হুমকির মুখে পড়বে। ফলে ফেডারেল সরকার যে তহবিল পাঠায়, তার একটি বড় অংশ সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায় না। 

সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ও  নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ 

বর্তমানে বেলুচিস্তানের পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল রূপ ধারণ করেছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে 'রিপাবলিক অব বেলুচিস্তান' নাম দিয়ে প্রদেশটির ৮৫ শতাংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণের যে ভুয়া স্বাধীনতার ঘোষণা ছড়ানো হয়েছে, তাকে পাকিস্তান সরকার ভারতের মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ এবং তথ্যসন্ত্রাস হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। 

সহিংসতার তীব্রতা

সাম্প্রতিক সময়ে বেলুচিস্তানজুড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর সন্ত্রাসী হামলা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে চলতি জুলাই মাসের শুরু থেকে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। 

গত ৮ জুলাই প্রদেশের অন্যতম প্রধান যাতায়াত করিডোর এন-২৫ হাইওয়ের বেলা-উইন্ডার এলাকায় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটি কনভয় লক্ষ্য করে অতর্কিত হামলা চালায় বিএলএ। পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর তথ্যমতে, এই হামলায় একজন জুনিয়র কমিশনড অফিসারসহ মোট ১১ জন সেনা সদস্য নিহত হন। তবে বিএলএ দাবি করেছিল, তারা ১৭ জন সেনাকে হত্যা করেছে এবং তাদের অস্ত্রশস্ত্র লুটে নিয়েছে।

এর একদিন আগেই বেলুচিস্তানের জিয়ারত জেলার মাঙ্গি বাঁধ এলাকায় একটি নিরাপত্তা চৌকিতে ভারী অস্ত্রসহ হামলা চালায় নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থী গোষ্ঠী তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)। হামলার সময় ঘটনাস্থলেই ৯ জন পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হন। এছাড়াও জঙ্গিরা ১৮ জন পুলিশ সদস্যকে অপহরণ করে নিয়ে যায় এবং পরবর্তীতে তাদের সবাইকে নির্মমভাবে হত্যা করে। এই ঘটনাটিকে সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানি বাহিনীর ওপর অন্যতম বড় জিম্মি ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এই হামলাগুলোর জবাবে এই সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক গুঁড়িয়ে দিতে পাকিস্তান সেনাবাহিনী, ফ্রন্টিয়ার কোর এবং বেলুচিস্তান পুলিশ যৌথভাবে অভিযান 'অপারেশন শাবান' শুরু করেছে। দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে বিমান বাহিনী ও স্থল বাহিনীর এই সাঁড়াশি অভিযানে এ পর্যন্ত শতাধিক রাষ্ট্রবিরোধী সশস্ত্র সন্ত্রাসী নির্মূল করা হয়েছে।

পাকিস্তান সরকারের গৃহীত সমাধান ও ভবিষ্যৎ রূপরেখা

পাকিস্তান সরকার স্বীকার করে, অতীতে কিছু প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক অবহেলা ছিল, যা দূর করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। 

সরকার জোর দিয়ে বলছে, তারা কেবল সামরিক পন্থায় এই সংকট সমাধান করতে চায় না; বরং একটি বহুমাত্রিক টেকসই উদ্যোগের মাধ্যমে বেলুচ জনগণকে মূলধারায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। এর মধ্যে রয়েছে—
 
সাংবিধানিক সংস্কার: ১৮তম সংশোধনীর মাধ্যমে বেলুচিস্তানকে ব্যাপক স্বায়ত্তশাসন দেওয়া হয়েছে এবং জাতীয় সম্পদ বণ্টনে তাদের অংশীদারিত্ব বাড়ানো হয়েছে।

অর্থনৈতিক উন্নয়ন: ‘আঘাজ-ই-হকুক-ই-বেলুচিস্তান’ প্যাকেজের আওতায় স্থানীয়দের চাকরি এবং গ্যাস থেকে প্রাপ্ত রাজস্ব নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা চলছে। এছাড়াও বিলিয়ন ডলারের রেকো ডিক তামা ও স্বর্ণ খনি প্রকল্প থেকে প্রাপ্ত আয়ের একটি বড় অংশ সরাসরি প্রদেশের উন্নয়নে ব্যয় করার আইনি কাঠামো তৈরি করা হয়েছে।

মূলধারায় অন্তর্ভুক্তি: পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কোটা ব্যবস্থার মাধ্যমে হাজার হাজার বেলুচ যুবককে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে এবং দেশের শীর্ষস্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বেলুচ শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ বৃত্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে। 

তবে সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রশ্নে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখার বিষয়ে অনড় পাকিস্তান সরকার। এক্ষেত্রে বিদেশি শক্তির প্রক্সি হিসেবে কাজ করা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে কঠোর হস্তে দমন করার পাশাপাশি আলোচনার দরজা খোলা রেখে বেলুচিস্তানের শান্তি ও সমৃদ্ধি ফিরিয়ে আনাই এখন ইসলামাবাদের প্রধান লক্ষ্য। 

সূত্র: দ্য ডিপ্লোমেট, ওয়াল্ড জিওস্ট্রাটেজিক ফোরাম, আলজাজিরা

এমএইচআর

 

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর