বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ঢাকা

হরমুজে পাইলটদের বাঁচাতে এবার আমেরিকার নতুন অভিযান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০ জুন ২০২৬, ১১:৩১ এএম

শেয়ার করুন:

হরমুজে পাইলটদের বাঁচাতে এবার আমেরিকার নতুন অভিযান

ইরানের হরমুজ প্রণালির কাছে গত সোমবার ভেঙে পড়েছিল মার্কিন সেনাবাহিনীর অ্যাপাচে হেলিকপ্টার। 

ভেঙে পড়া সেই হেলিকপ্টারের পাইলটদের উদ্ধারে নতুন ধরনের সেনা নামাল আমেরিকা। কোনো রক্ত-মাংসের সেনা নয়, কিংবা কোনও উদ্ধারকারী হেলিকপ্টারও নয়, পাইলটদের উদ্ধারে এবার সামুদ্রিক ড্রোনকে কাজে লাগাল মার্কিন সেনাবাহিনী। 


বিজ্ঞাপন


যা সম্পূর্ণ ভাবে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা পরিচালিত। যুদ্ধক্ষেত্রে এই প্রথম এই ধরনের সামুদ্রিক ড্রোনকে উদ্ধারের কাজে লাগাল আমেরিকা। 

এই ড্রোনের মাধ্যমেই দুই পাইলটকে সুরক্ষিত অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে বলে দাবি মার্কিন বাহিনীর।

পশ্চিম এশিয়া আবার নতুন করে উত্তপ্ত হয়েছে গত কয়েক দিন ধরে। ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে আবার সামরিক সংঘাত শুরু হয়েছে। 

সেই আবহে সোমবার মার্কিন সেনাবাহিনীর একটি কপ্টার ভেঙে পড়ে হরমুজে। তার পর থেকেই জল্পনা জোরালো হতে শুরু করে মার্কিন কপ্টারটিকে নিশানা বানিয়েছে ইরান। যদিও আমেরিকা এই দাবি অস্বিীকার করেছে। 


বিজ্ঞাপন


পশ্চিম এশিয়ায় সামরিক সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে হরমুজ। এই প্রণালি ইরানের দখলে। তেমন আবার হরমুজের দু’প্রান্ত অবরুদ্ধ করে রেখেছে আমেরিকা। 

সামরিক সংঘাতের এই আবহে মার্কিন কপ্টার ভেঙে পড়তেই দুই পাইলটকে উদ্ধারে সময় নষ্ট করেনি মার্কিন নৌবাহিনী।

ইরানের ভয়ে তাই এবার আর কোনো উদ্ধারকারী কপ্টার বা সেনা না পাঠিয়ে সামুদ্রিক ড্রোনের মাধ্যমেই দুই পাইলটকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে দ্য নিউ ইয়র্ক পোস্ট-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। 

নতুন এই ‘অবতার’ হল ২৪ ফুটের সারোনিক কর্সেয়ার। এটি স্বয়ংক্রিয় সামুদ্রিক ভেসেল। এগুলিকে ড্রোনবোটও বলা হয়। এই ভেসেলগুলি সাড়ে ৪০০ কেজি পর্যন্ত ওজন বহন করতে পারে। ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার বেগে পানির মধ্যে ছুটতে পারে। টেক্সাসেক সারোনিক টেকনোলজিস নামে একটি সংস্থা এই সামুদ্রিক ড্রোনের নির্মাতা।

২০২১ সালে আমেরিকা ‘টাস্কফোর্স ৫৯’ নামে নৌসেনার একটি নতুন শাখা তৈরি করে। এর প্রধান কার্যালয় বাহরারিনে। 

মার্কিন নৌসেনার এই বাহিনী মানববিহীন সামরিক অস্ত্র পরিচালনায় দক্ষ। মার্চের শেষের দিকে পশ্চিম এশিয়ায় নৌসেনার এই শাখাকে মোতায়েন করেছে আমেরিকা। 

শুধু তা-ই নয়, প্রচুর সামুদ্রিক ড্রোনও মোতায়েন করা হয়েছে। মার্কিন বাহিনীর হাতে দু’ধরনের সামুদ্রিক ড্রোন রয়েছে। সমুদ্রের উপরে এবং সমুদ্রের গভীরে কোনও অভিযানের জন্য এই ড্রোন ব্যবহার করা হয়। 

তবে সারোনিক কর্সেয়ার সামুদ্রিক ড্রোনকে উদ্ধারকাজে এই প্রথম ব্যবহার করল মার্কিন সেনাবাহিনী।

-এমএমএস

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর