বিশ্ববাজারে আরেক দফা কমেছে স্বর্ণের দাম। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাতের কারণে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় মুদ্রাস্ফীতি ও সুদের হার নিয়ে উদ্বেগও বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিজ্ঞাপন
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (৮ জুন) স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম শূন্য দশমিক ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩২১ দশমিক ৪৯ ডলারে নেমে এসেছে। এর আগের শুক্রবার দাম প্রায় ৩ শতাংশ কমে গত ২৪ মার্চের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছায়। ওই বড় পতনের পেছনে মূল ভূমিকা রাখে প্রত্যাশার চেয়ে ভালো মার্কিন কর্মসংস্থান প্রতিবেদন।
একই দিনে আগস্ট ডেলিভারির জন্য মার্কিন স্বর্ণের ফিউচার শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৩৪৫ দশমিক ৬০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
বিজ্ঞাপন
ইরান ও ইসরায়েলের নতুন করে পাল্টাপাল্টি হামলার পর সোমবার তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২ ডলারের বেশি বেড়েছে, যাতে মুদ্রাস্ফীতি ও সুদের হার বাড়ার আশঙ্কা আরও জোরালো হয়ে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।
বিশ্ববাজারে দাম কমায় দেশের বাজারেও কমতে পারে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববাজারে দাম কমলে এর প্রভাব পড়ে দেশের বাজারেও, তাই যে কোনো সময় দেশের বাজারেও দাম কমানো হতে পারে।
গত ৬ জুন সকালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করে বাজুস। সেদিন ভরিতে মূল্যবান এই ধাতুর দাম ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমানো হয়েছে। এর ফলে দেশের বাজারে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়ছে ২ লাখ ২৯ হাজার ৩৭৩ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৮ হাজার ৯৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৫৭ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
এমআর




