শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ঢাকা

২ হাজারের বেশি বন্দিকে সাধারণ ক্ষমা করলেন খামেনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৬ জুন ২০২৬, ০৪:৫১ এএম

শেয়ার করুন:

২ হাজারের বেশি বন্দিকে সাধারণ ক্ষমা করলেন খামেনি

ইরানের বিভিন্ন কারাগারের ২ হাজারে বেশি বন্দীর সাজা মওকুফ, হ্রাস করার অনুমোদন দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতাবা খামেনি। 

শুক্রবার (৫ জুন) সর্বোচ্চ নেতার দাফতরিক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতি অনুসারে, শিয়া মুসলমানদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব ‘ঈদুল গাদির’ উপলক্ষে এই ক্ষমা ঘোষণা করা হয়েছে। দেশটির বিচার বিভাগীয় প্রধান গোলামহোসেন মোহসেনি এজেই বন্দীদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছিলেন।


বিজ্ঞাপন


ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা আইএসএনএ জানিয়েছে, সাধারণ ও বিপ্লবী আদালত, সশস্ত্র বাহিনীর বিচার বিভাগীয় সংস্থা এবং রাষ্ট্রীয় শাস্তিমূলক ট্রাইব্যুনাল থেকে দণ্ডিত কয়েদিরা এই সাধারণ ক্ষমার আওতায় পড়েছেন, যাদের অনেকেই তাৎক্ষণিকভাবে কারাগার থেকে মুক্তি পাবেন এবং অনেকের শাস্তির মেয়াদ কমিয়ে দেওয়া হবে।

তবে জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা, সশস্ত্র সংঘাত, গুপ্তচরবৃত্তি, অস্ত্র পাচার, অপহরণ, বড় ধরনের মাদক ব্যবসা, ঘুষ এবং রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের এই তালিকার বাইরে রাখা হয়েছে।  

প্রসঙ্গত, ২০২৬ সালের মার্চ মাসে বাবা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই ⁠মোজতবা খামেনির দেওয়া ⁠প্রথম সাধারণ ক্ষমার ডিক্রি। 

ইরানের সংবিধানের ১১০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বিচার বিভাগীয় প্রধানের সুপারিশে সর্বোচ্চ নেতা বন্দীদের সাজা মওকুফ বা কমানোর আইনি ক্ষমতার অধিকারী।


বিজ্ঞাপন


এদিকে মানবাধিকার সংস্থাগুলো এবং ইরানি মানবাধিকার কর্মীরা সাধারণত ইরানের এই ধরণের বন্দী মুক্তি বা সাধারণ ক্ষমার আদেশকে একটি ‘প্রচারণামূলক কৌশল’ এবং রাজনৈতিক চাল হিসেবেই দেখে থাকেন।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালসহ মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, ইরানের এই ধরণের সাধারণ ক্ষমায় শুধুমাত্র সাধারণ অপরাধীদেরই মুক্তি দেওয়া হয়। রাজনৈতিক বন্দী, সমাজকর্মী, সাংবাদিক এবং ভিন্নমতাবলম্বীদের সবসময়ই এর বাইরে রাখা হয়। ফলে এই ক্ষমার মাধ্যমে ইরানের মানবাধিকার পরিস্থিতির কোনো বাস্তব উন্নতি ঘটে না। 

সূত্র: আনাদোলু, মিডল ইষ্ট মনিটর

এমএইচআর

 

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর