বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ঢাকা

চীনের বিরুদ্ধে ভারতের ‘হরমুজ প্রণালি’ হতে পারে গ্রেট নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৪ জুন ২০২৬, ০৭:৪৮ পিএম

শেয়ার করুন:

চীনের বিরুদ্ধে ভারতের ‘হরমুজ প্রণালি’ হতে পারে গ্রেট নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ

ভারতের সর্বদক্ষিণ প্রান্তের গ্রেট নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ দেশটির মূল ভূখণ্ডের চেয়ে থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার উপকূলের বেশি কাছাকাছি অবস্থিত। তবে ভারতে বর্তমানে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে এই দ্বীপ।

১৯৮৪ সালে ইন্দিরা গান্ধীর পর থেকে এখন পর্যন্ত ভারতের আর কোনও প্রধানমন্ত্রী হংকংয়ের সমান আয়তনের এই দ্বীপে যাননি। এমনকি এই দ্বীপে পূর্ণাঙ্গ আদমশুমারিও করে না ভারত। দ্বীপের জনসংখ্যার জন্য অনুমানের ওপর নির্ভর করে দেশটি। সর্বশেষ ধারণা অনুযায়ী, সেখানে ১০ হাজারেরও কম মানুষের বসবাস রয়েছে।


বিজ্ঞাপন


ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নেতৃত্বাধীন সরকার গ্রেট নিকোবরকে ভারত মহাসাগরে অন্যতম প্রধান কৌশলগত ও অর্থনৈতিক তল্লাশি চৌকি কিংবা ঘাঁটিতে পরিণত করার জন্য ১১ বিলিয়ন (১ হাজার ১০০ কোটি) ডলারের একটি প্রকল্পের পরিকল্পনা করেছে। আর দেশটিতে এই প্রকল্প ঘিরে চলছে তুমুল রাজনৈতিক বিতর্ক।

মোদি সরকার গ্রেট নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে একটি বাণিজ্যিক নৌ পরিবহন বন্দর, একটি বেসামরিক-সামরিক বিমানবন্দর, একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পর্যটন অবকাঠামো এবং ৩ লাখ ৫০ হাজার মানুষের জন্য জনপদ গড়ে তোলার পরিকল্পনায় সবুজ সংকেত দিয়েছে।

সরকার তার খসড়া পরিকল্পনায় প্রকল্পটির যৌক্তিকতা হিসেবে সামুদ্রিক বাণিজ্যের অর্থনীতিকে তুলে ধরেছে। কিন্তু বৈশ্বিক পরিবেশবাদী বিভিন্ন সংগঠন ও নয়াদিল্লির বিরোধীদলীয় নেতাদের ক্রমবর্ধমান সমালোচনার মুখে ভারত সরকার অবস্থান বদল করেছে। বর্তমানে দেশটির সরকার ভাষ্য পরিবর্তন করে এই পরিকল্পনাকে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে নয়াদিল্লির কৌশলগত লক্ষ্যের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে তুলে ধরেছে। 

অন্যদিকে হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাত এই পরিকল্পনাকে আরও ত্বরান্বিত করেছে, যা কৌশলগত জলপথের ওপর সামরিক ও অর্থনৈতিক উদ্দেশ্য পূরণ করতে পারে এমন এক অবস্থানের গুরুত্ব স্বরণ করিয়ে দিচ্ছে। এক্ষেত্রে সেই জলপথটি হলো মালাক্কা প্রণালি; যার মধ্য দিয়ে বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ বাণিজ্য এবং সমুদ্রবাহিত তেল পরিবহন করা হয়।


বিজ্ঞাপন


ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি চীনের বিরুদ্ধে ভারতের জন্য একটি হরমুজ প্রণালি-সদৃশ কার্যকর ‘চেকপয়েন্ট’ বা দাবার ঘুঁটি হয়ে উঠতে পারে। কারণ এর মাধ্যমে চীন ও জাপানের মতো পূর্ব এশীয় দেশগুলোর বাণিজ্যিক ও সামরিক জাহাজের গতিবিধির ওপর সহজে নজর রাখা সম্ভব হবে।

ভারতীয় নৌবাহিনীর সাবেক উপপ্রধান শেখর সিনহা বলেন, ‘এই দ্বীপপুঞ্জের কৌশলগত মূল্য রয়েছে। কারণ এটি একেবারে মালাক্কা প্রণালির মুখে অবস্থিত। সেখানে যদি একটি বাণিজ্যিক স্থাপনা হিসেবে গড়ে তোলা হয়, তাহলে কেউ আপত্তি করতে পারবে না’।

চীনের বিরুদ্ধে প্রহরী?

বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে গ্রেট নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ ভারতের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় ১ হাজার ৬০০ কিলোমিটার দূরে মালাক্কা প্রণালির পশ্চিম প্রবেশপথের কাছে অবস্থিত। এটি পূর্ব-পশ্চিমমুখী জাহাজ চলাচল রুটের সংলগ্ন, যা উপসাগরীয় অঞ্চল, ইউরোপ এবং চীন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ পূর্ব এশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য ও পণ্য সরবরাহ পরিবহনে ব্যবহার করা হয়।

সিঙ্গাপুরের কাছে ফিলিপ চ্যানেলের সবচেয়ে সংকীর্ণ অংশে মাত্র ২.৮ কিলোমিটার চওড়া এই দ্বীপ। তবুও মধ্যপ্রাচ্যকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে সংযোগকারী প্রধান জলপথ এটি। যদিও বিশ্ব বাণিজ্য এই প্রণালির ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল হলেও চীনের জন্য তা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। চীনের অপরিশোধিত তেল আমদানির ৮০ শতাংশ এবং বাণিজ্যের দুই-তৃতীয়াংশই এই জলপথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। আর ভৌগোলিক অবস্থান মালাক্কা প্রণালীর ওপর নজরদারি চালানোর জন্য গ্রেট নিকোবারকে ভারতের জন্য একটি সম্ভাব্য মূল্যবান প্রহরী হিসেবে গড়ে তুলেছে।

সমুদ্রের কার্যক্রম শনাক্ত ও পর্যবেক্ষণের বিষয়ে নয়াদিল্লির সক্ষমতার কথা জানিয়ে  সিনহা বলেন, ‘প্রণালিতে আসা-যাওয়া করা সব যানবাহনের ওপর নজর রাখার জন্য এই দ্বীপ চমৎকার এক জায়গা। এটি ভারতকে সামুদ্রিক নজরদারিতে বাড়তি সুবিধা দেবে’।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মোদি সরকার এই দ্বীপপুঞ্জের কৌশলগত মূল্যের কথা ক্রমবর্ধমান হারে স্বীকার করছে। 

গত মে মাসে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দেশটির সরকার বলেছে, ‘গ্রেট নিকোবর প্রকল্প একটি কৌশলগত প্রকল্প; যা আন্দামান সাগর এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ভারতের উপস্থিতি জোরদার করার লক্ষ্যে গ্রহণ করা হয়েছে’। 

এতে আরো বলা হয়েছে, ‘প্রকল্পটি ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা, কৌশলগত ও প্রতিরক্ষা উপস্থিতি বৃদ্ধি, দ্বীপপুঞ্জের অর্থনৈতিক অবস্থান শক্তিশালী এবং ওই অঞ্চলে সামগ্রিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।’ 

কিন্তু প্রথম দিকে প্রকল্পটি সেভাবে পরিকল্পিত ছিল না। অন্তত সরকারের আনুষ্ঠানিক পরিকল্পনায় তো নয়ই। বরং, এটিকে সিঙ্গাপুর, শ্রীলঙ্কার কলম্বো এবং এমনকি হংকংয়ের গভীর সমুদ্র বন্দর-নির্ভর অর্থনীতির প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল।

পরে দেশটির সরকারের এই পরিকল্পনা দ্রুতই তীব্র প্রতিরোধের মুখে পড়ে; যার মধ্যে দ্বীপের বাসিন্দারাও রয়েছেন। সেখানকার বাসিন্দারা তখন থেকেই নির্মাণ কাজের জন্য নিজেদের ভূমি ছেড়ে দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছেন এবং সরকারের এই পরিকল্পনার বিরুদ্ধে আদালতে একাধিক মামলা করেছেন।

নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের শেষ প্রান্তে অবস্থিত গ্রেট নিকোবরে মাত্র কয়েকশ শম্পেনের আবাস রয়েছে। এই শম্পেনরা আধা-যাযাবর শিকারী ও সংগ্রহকারী উপজাতি; যারা ঘন বনের গহীনে বসবাস করেন। এছাড়া সেখানে আরও কয়েক হাজার মাছ ধরার ওপর নির্ভরশীল নিকোবরী জনগোষ্ঠীর মানুষ রয়েছেন; যারা এই চমৎকার বাস্তুতন্ত্রের ওপর নির্ভর করে বেঁচে আছেন।

image

এসব আদিবাসী সম্প্রদায় বাইরের জগৎ এবং দ্বীপের বসতি স্থাপনকারী জনসংখ্যা থেকে দূরত্ব বজায় রাখেন; যারা প্রায় ১ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছেন। মোদি সরকারের প্রকল্পটি বর্তমানে দ্বীপের ১৬৬ দশমিক ১ বর্গ কিলোমিটার জমিতে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে; যা পুরো দ্বীপের প্রায় ১৬ শতাংশ ভূমির সমান। এই ভূমির অর্ধেকই আদিবাসী সংরক্ষিত এলাকা, যেখানে শম্পেনরা বাস করেন।

২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে ৩৯ জন গণহত্যা বিশেষজ্ঞ ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে চিঠি লিখে সতর্ক করে বলেছিলেন, এই প্রকল্পটি ‘শম্পেনদের জন্য একটি মৃত্যুদণ্ড’ হতে যাচ্ছে; যা আন্তর্জাতিক গণহত্যার অপরাধের সমতুল্য।

আর তার আগের বছর, অর্থাৎ ২০২৩ সালে ভারতের পরিবেশমন্ত্রী দেশটির সংসদে বলেছিলেন, প্রকল্পের জন্য প্রায় ৯ লাখ ৬৪ হাজার গাছ কাটা পড়বে। এই উন্নয়ন স্থানীয় মাছ ধরার ওপর নির্ভরশীল নিকোবরী সম্প্রদায়কে বাস্তুচ্যুত এবং আগামী তিন দশকে ৩ লাখ ৫০ হাজার মানুষের বসতি স্থাপনের পথ তৈরি করবে। যদি এমনটা হয়, তাহলে দ্বীপটির জনসংখ্যা প্রায় ৪ হাজার শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।

পরিবেশগত হুমকি ও সুনামির ঝুঁকি

নিকোবরী সম্প্রদায়ের পূর্বপুরুষদের ভূমি এই প্রকল্পের অধীনে পর্যটন অঞ্চলের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। যদিও এর বিরুদ্ধে তাদের প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে। ভারত সরকার অবশ্য বলছে, এসব সমালোচনা ভিত্তিহীন এবং প্রকল্পটি দ্বীপ উন্নয়নের ক্ষেত্রে সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির মডেল হবে।

তবে পরিবেশবাদীরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, প্রকল্পটি ভারতের সবচেয়ে জীববৈচিত্র্যপূর্ণ দ্বীপ বাস্তুতন্ত্রের একটিতে ব্যাপক বন উজাড়, উপকূলীয় পরিবর্তন এবং অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে গ্রেট নিকোবরের ভঙ্গুর পরিবেশকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করবে।

image

গ্রেট নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ ভূমিকম্পের সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ক্যাটাগরি ‘সিসমিক জোন ৫’-এর মধ্যেও পড়েছে। যা গ্রেট নিকোবরের সব বড় নির্মাণ প্রকল্পকে বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে।

ভারতের বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী এক মাস আগে দ্বীপটি সফর করে স্থানীয় সমাজকর্মী ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে দেখা করেন। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কংগ্রেসের এই নেতা বলেন, ‌সরকার এখানে যা করছে তাকে একটি ‌‌‘‘প্রকল্প’’ বলছে... অথচ মানুষের ঘরবাড়ি ছিনিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি তাদের উপেক্ষা করা হয়েছে। এটি উন্নয়নের ভাষার আড়ালে ধ্বংসলীলা।

রাহুল গান্ধী দাবি করেন, গ্রেট নিকোবর প্রকল্প ‘আমাদের জীবদ্দশায় এই দেশের প্রাকৃতিক ও উপজাতীয় ঐতিহ্যের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় কেলেঙ্কারি এবং গুরুতর সব অপরাধের একটি’।

তিনি ইন্দিরা পয়েন্ট লাইটহাউসও পরিদর্শন করেন; যা ভারতের ভূখণ্ডের সবচেয়ে দক্ষিণ প্রান্ত এবং তার দাদী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর নামে নামকরণ করা হয়েছে। সেই লাইটহাউসটি একসময় সবুজ গাছে ঘেরা থাকলেও বর্তমানে এর কিছু অংশ পানিতে ডুবন্ত অবস্থায় রয়েছে।

image

মূলত, ২০০৪ সালের বিধ্বংসী সুনামি গ্রেট নিকোবরের দক্ষিণ প্রান্তের ভূমিকে প্রায় ৪ দশমিক ২৫ মিটার (১৪ ফুট) ডুবিয়ে দেয়; যার ফলে ইন্দিরা পয়েন্টের চারপাশের উপকূলরেখার কিছু অংশ প্লাবিত হয়।

রাহুল গান্ধী দাবি করেন, গ্রেট নিকোবর প্রকল্প ‘আমাদের জীবদ্দশায় এই দেশের প্রাকৃতিক ও উপজাতীয় ঐতিহ্যের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় কেলেঙ্কারি এবং গুরুতর সব অপরাধের একটি’।

ভারতের যুদ্ধকালীন সুবিধা

পরিবেশের অপূরণীয় ক্ষতি আর জাতীয় নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তা—এই দুইয়ের টানাপোড়েনের মাঝেই গ্রেট নিকোবার এখন ভারতের ভবিষ্যৎ প্রতিরক্ষার এক নতুন রূপরেখা তৈরি করছে। প্রকল্পের যৌক্তিকতা পাল্টে কৌশলগত সব লক্ষ্যকে অন্তর্ভুক্ত করা হলেও ২০২০ সালে ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকারের শীর্ষ পরিকল্পনা সংস্থা গ্রেট নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের উন্নয়ন উদ্যোগের জন্য একটি মাস্টার প্ল্যান তৈরি করার পর থেকে বিশ্বও বদলে গেছে।

দেশটির কিছু বিশ্লেষক যুক্তি দেখিয়ে বলছেন, এই পরিবর্তনের কারণে ভারতকে সর্বদা তৎপর থাকতে হবে।

 নয়াদিল্লি-ভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক প্রতিষ্ঠান অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হর্ষ পান্ত বলেন, ‘দ্রুত পরিবর্তনশীল ভূরাজনীতির ধরন আরও চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠছে। ভারতের পক্ষে তার কৌশলগত সুবিধাগুলোর ফায়দা তুলতে নিজের ভৌগোলিক অবস্থানের দিকে নতুন করে তাকানোটাই স্বাভাবিক।’

ভারতীয় সশস্ত্রবাহিনীর ত্রি-সেবা যৌথ কমান্ড গ্রেট নিকোবর থেকে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার (৩১০ মাইল) দূরে দ্বীপপুঞ্জের রাজধানী শ্রী বিজয়া পুরমে (যা আগে পোর্ট ব্লেয়ার নামে পরিচিত ছিল) অবস্থিত।

এ বিষয়ে পান্ত বলেন, গ্রেট নিকোবরকে গড়ে তোলা হলে তা কমান্ডকে আরও শক্তিশালী, আরও অপরাজেয় করে তুলবে এবং বৃহত্তর ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে কী ঘটছে তার ওপর নজর রাখার জন্য এই ভৌগোলিক অবস্থানকে ব্যবহার করা যাবে। 

অন্যদিকে ভারতীয় কৌশলগত চিন্তাবিদদের একাংশ ধারণা করছেন, ইরান কূটনৈতিক সুবিধা পাওয়ার জন্য যেভাবে হরমুজ প্রণালির ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণকে ব্যবহার করছে, প্রতিদ্বন্দ্বী চীনের সঙ্গে ভবিষ্যতের কোনও সংঘাতে  মালাক্কা প্রণালিকে অবরুদ্ধ করার ক্ষেত্রে গ্রেট নিকোবরের ব্যবহার করতে পারে নয়াদিল্লি।

সূত্র: আলজাজিরা, এনডিটিভি

এমএইচআর

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর