ইরানের সঙ্গে চলমান সামরিক সংঘাত যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করেছে। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় দাঁড়িয়েছে ২৯ বিলিয়ন ডলার।
৭৪ দিনের এই যুদ্ধের খরচ মূলত গোলাবারুদ ও সামরিক সরঞ্জামের মধ্যে সীমিত, এর মধ্যে সামরিক ঘাঁটিগুলোর ক্ষতির হিসাব অন্তর্ভুক্ত নয়।
বিজ্ঞাপন
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সম্প্রতি কংগ্রেসে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের আবেদন জানিয়েছেন। তিনি প্রায় ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলার বাজেটের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।
হেগসেথের ভাষ্য, বিশ্বের সবচেয়ে কার্যকর সামরিক শক্তি হিসেবে অবস্থান ধরে রাখতে এ অর্থ জরুরি।
তবে এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে মতভেদ দেখা দিয়েছে। রিপাবলিকানদের বড় অংশ এ প্রস্তাব সমর্থন করলেও ডেমোক্র্যাটরা এর বিরোধিতা করছেন।
এর পেছনে রয়টার্সের একটি নতুন জনমত জরিপও প্রভাব ফেলেছে। ওই জরিপে দেখা গেছে-দুই-তৃতীয়াংশ আমেরিকান উচ্চ জ্বালানি তেলের দামের কারণে আর্থিক চাপের মধ্যে আছেন। একই অনুপাতে মানুষ যুদ্ধ নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্দেশ্য সম্পর্কে অনিশ্চয়তা প্রকাশ করেছেন।
বিজ্ঞাপন
পিট হেগসেথ বলেন, ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিকল্প এখনো খোলা রয়েছে, যার মধ্যে সংঘাত আরও বাড়ানোর সম্ভাবনাও আছে। তার মতে, ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে যুদ্ধবিরতির কথা বলেছেন, তা এখন ‘লাইফ সাপোর্টে’ রয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা।
এমআর




