স্বামীর খুনিদের এনকাউন্টারের দাবি জানালেন বিজেপির নেতা শুভেন্দু অধিকারীর একান্ত সহকারী চন্দ্রনাথ রথের স্ত্রী ইন্দ্রাণী রথ।
বুধবার রাতে হাসপাতালে রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তার কাছে তিনি এই দাবি করেন । ডিজি ঘটনার তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
বুধবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়ায় দুষ্কৃতকারীদের গুলিতে নিহত হন শুভেন্দু অধিকারীর সহকারী চন্দ্রনাথ রথ। খুব কাছ থেকে করা গুলিতে ঝাঁজরা হয়ে যায় চন্দ্রনাথের শরীর ৷
ঘটনার গুরুত্ব অনুধাবন করে রাজ্য পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল সিদ্ধিনাথ গুপ্ত রাতেই মধ্যমগ্রামের হাসপাতালে উপস্থিত হতেই তার সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন চন্দ্রনাথের স্ত্রী ইন্দ্রাণী ৷
সঙ্গে ছিলেন তার মেয়েও। তারপর নিজেকে কিছুটা সামলে নিয়ে ইন্দ্রাণী ডিজির কাছে দাবি করেন, আমার স্বামীকে কারা খুন করেছে, আমি তা জানতে চাই।
স্বামীকে আর ফিরে পাব না জানি। কিন্তু নৃশংসভাবে যারা আমার স্বামীকে খুন করেছে, এনকাউন্টারে তাদের মৃত্যু চাই।
গুলিবিদ্ধ হয়ে একান্ত সহকারীর মৃত্যুর খবর পেয়ে রাত ১২টা নাগাদ হাসপাতালে পৌঁছান শুভেন্দু। সঙ্গে ছিলেন রাজ্য বিজেপির সাবেক সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার ও রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতারা।
তারা চন্দ্রনাথের স্ত্রী ও মেয়ের সঙ্গে কথা বলেন। হাসপাতাল থেকে বেরোনোর সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ডিজি বলেন, "ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। দুষ্কৃতকারীদের একটি চার চাকার গাড়ি জব্দ করা হয়েছে।
এলাকার সব সিসিটিভির ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে। দ্রুত আমরা দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করার কাজ করছি। অবশ্যই তাদের গ্রেফতার করা হবে। তারপর নিহত চন্দ্রনাথের স্ত্রী ও মেয়েকে আশ্বস্ত করে ডিজি হাসপাতাল থেকে চলে যান।
মধ্যমগ্রামের বেসরকারি ওই হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত চন্দ্রনাথের মরদেহ রাতেই বারাসত হাসপাতালে পাঠানো হয়।
হাসপাতাল থেকে চন্দ্রনাথের মরদেহ বের করার সময় সাময়িক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিজেপি নেতারা অবশ্য দলীয় কর্মীদের শান্ত থাকতে বলেছেন।
-এমএমএস




