ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় দায়ের বন্দরে নোঙর করা বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক জাহাজে ‘রহস্যজনক’ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা মেহর নিউজ জানিয়েছে, দমকল বাহিনী আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য কাজ করছে। তবে কীভাবে আগুন লেগেছে তা এখনও জানা যায়নি এবং অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম পুরোপুরি সম্পন্ন হওয়ার পর বিস্তারিত ঘোষণা করা হবে।
বিজ্ঞাপন
হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে তথাকথিত অভিযান ঘিরে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এই অগ্নিকাণ্ডের খবর এলো।
এরআগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেন, হরমুজ প্রণালিতে ছোট আকারের সাতটি নৌযানে (দ্রুতগতির নৌকা) হামলা চালানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী হেলিকপ্টার ব্যবহার করে এই অভিযান চালিয়েছে বলে তিনি জানান।
তবে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, মার্কিন বাহিনী তাদের নৌযান নয়, বরং যাত্রীবাহী ছোট নৌকায় হামলা চালিয়েছে। এতে পাঁচজন বেসামরিক নিহত হয়েছেন বলে জানায় ইরান।
ইরান আরও দাবি করেছে, মার্কিন ডেস্ট্রয়ারগুলো (যুদ্ধজাহাজ) তাদের রাডার বন্ধ রেখে হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশের চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ইরানি নৌবাহিনী এ অঞ্চলে সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখায় রাডার চালু করার সঙ্গে সঙ্গেই সেগুলো ধরা পড়ে যায়।
বিজ্ঞাপন
শনাক্ত করার পর ইরানি নৌবাহিনী মার্কিন জাহাজগুলো লক্ষ্য করে সতর্কতামূলক গোলাবর্ষণ করে। সতর্কবার্তার অংশ হিসেবে কমব্যাট ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট ব্যবহার করা হয়। ফলে মার্কিন ডেস্ট্রয়ারগুলো ফিরে যেতে বাধ্য হয়।
তেহরান স্পষ্ট সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছে, মার্কিন নৌবাহিনী যদি আবারও হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশের চেষ্টা করে, তবে তা যুদ্ধবিরতি চুক্তির সরাসরি লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করা হবে।
প্রসঙ্গত, গত দুইদিনে হরমুজ প্রণালিতে সামরিক উত্তেজনা গত ৮ এপ্রিল ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিকে নাড়িয়ে দিয়েছে। এতে আবারো তুমুল যুদ্ধ শুরু হওয়ার আশঙ্কা জেগে উঠেছে।
সূত্র: আলজাজিরা
এমএইচআর




