পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে। গণনায় দেখা গেছে, রাজ্যের সীমান্ত এলাকা, আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চল এবং শিল্পাঞ্চলগুলোতে এগিয়ে যাচ্ছে বিজেপি। এ নিয়ে বিজেপির রাজ্য প্রধান এবং সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, হিন্দু ভোটের একত্রীকরণের পাশাপাশি আদিবাসী সম্প্রদায়ের কাছ থেকেও উল্লেখযোগ্য সমর্থন পেয়েছে তার দল।
সোমবার এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাতকারে শুভেন্দু বলেন, ‘হিন্দু ভোট সুসংহত হয়েছে, আদিবাসী ভোটও পেয়েছি’।
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও বলেন, ‘বিশেষ করে হিন্দু মহিলারা বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন। এবার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আদিবাসী ভোটের একটি বড় অংশ তাদের ঝুলিতে এসেছে’।
বিজেপির সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে বিবেচিত শুভেন্দু এমন এক সময়ে কথা বলেছেন, যখন প্রাথমিক প্রবণতায় তার দল বিধানসভার ২৯৪ আসনের মধ্যে প্রায় ১৯২টি আসনে এগিয়ে আছে বিজেপি, যা সরকার গঠনের জন্য ম্যাজিক ফিগার ১৪৮টি আসনের চেয়েও অনেক বেশি।
২০১১ সাল থেকে মমতা বন্দোপ্যাধায়ের শাসনের সমালোচনা করে শুভেন্দু আরও বলেন, ‘জনগণ দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে।
শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর সঙ্গে দলের উৎপত্তির প্রসঙ্গ টেনে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘বিজেপি শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর আমল থেকেই এটা করার স্বপ্ন দেখে আসছে, কিন্তু কখনও তা করে উঠতে পারেনি।’
বিজ্ঞাপন
গণনার ওই পর্যায়ের আসন সংখ্যার পূর্বাভাস তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আগামী দিনগুলোতে সব ঠিক হয়ে যাবে। আমরা এখন ১৮৯টি আসনে এগিয়ে আছি; যা বড় ব্যবধান। বাকিটা আমরা সামলে নেব।’
পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন কিনা— এমন প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকৃতি জানান শুভেন্দু। তিনি বলেন, ‘না, আমি এই স্পর্শকাতর প্রশ্নের কোনও মন্তব্য করব না।বিজেপি হলো সম্মিলিত নেতৃত্ব। নরেন্দ্র মোদির মহান নেতৃত্বে আমরা এই নির্বাচনে লড়েছি এবং ফলাফল আসছে’।
পশ্চিমবঙ্গকে দেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে বর্ণনা করে তিনি ভোটের প্রচারাভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া ও কঠোর পরিশ্রম করার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কৃতিত্ব দেন এবং জনগণ ধন্যবাদ জানান।
সূত্র: এনডিটিভি
এমএইচআর




